বিপিএলের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে খুলনা টাইগার্সের সামনে সমীকরণ ছিল সোজা জিতলে প্লে-অফ, হারলেই বিদায়। মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে বাঁচা-মরার এই লড়াইয়ে ৭৪ রানের অপরাজিত ইনিংসে সামনে থেকেই নেতৃত্ব দিয়ে খুলনাকে ৬ উইকেটের জয় এনে দেন মিরাজ। খুলনা টাইগার্স চতুর্থ দল হিসেবে জায়গা করে নেওয়ায় সমান পয়েন্ট থাকলেও নেট রানরেটে পিছিয়ে থেকে আসরের সবচেয়ে আলোচিত দল দুর্বার রাজশাহীর বিদায় ঘণ্টা বেজে গেছে। আর দ্বিতীয় ম্যাচে টেবিল টপার বরিশালকে হারিয়ে প্রথম কোয়ালিফায়ার খেলা নিশ্চিত করেছে চিটাগং কিংস। এতে তিনে নেমে গিয়ে খুলনার সঙ্গে এলিমিনেটর খেলতে হবে রংপুর রাইডার্সের।
শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করা ঢাকা ক্যাপিটালস ৯ উইকেটে মাত্র ১২৩ রান করে। ক্যাপিটালসের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৮ রান করেন তানজিদ হাসান তামিম। তার ৩৭ বলের ইনিংসে চার ছিল ১টি, ছক্কা ৭টি। বিপিএলের এক মৌসুমে বাংলাদেশিদের মধ্যে সর্বোচ্চ ছক্কা হাঁকানোর রেকর্ড আগেই নিজের করে নিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত মৌসুমে তার ছক্কা সংখ্যা গিয়ে দাঁড়াল ৩৬টি। বিপিএল ইতিহাসে এক মৌসুমে এটিই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছক্কা হাঁকানোর কীর্তি। ২০১৭-১৮ মৌসুমে ক্রিস গেইলের ৪৭ ছক্কার পর ২০১৮-১৯ মৌসুমে নিকোলাস পুরানের ২৮ ছক্কা ছিল এতদিন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। খুলনার হাসান মাহমুদ ৪ ওভারে ১ মেডেনসহ মাত্র ৫ রান দিয়ে উইকেট নেন দুটি।
১২৪ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়ায় ১৯ বল আর ৬ উইকেট হাতে রেখেই সেরা চারে থাকা নিশ্চিত করে খুলনা। রংপুরের চেয়ে নেট রান রেটে এগিয়ে থাকায় দ্বিতীয় ম্যাচে চিটাগংয়ের লক্ষ্যও ছিল একই- সেরা দুইয়ে থাকতে হলে চাই জয়। লক্ষ্য পূরণ করেছেন তারাও। আসর জুড়ে রান খরায় থাকা পারভেজ ইমন ১ চার ও ৮ ছয়ে ৪১ বলে ৭৫ রান করেন। সঙ্গে হায়দার আলির ২৩ বলে অপরাজিত ৪২ রানের কল্যাণে ৪ উইকেটে ২০৬ রান তোলে চিটাগং। জবাবে বরিশালের ইনিংস থামে ৭ উইকেটে ১৮২ রান তুলে।