৫ ফেব্রুয়ারি এত ফুটবলারের জন্মদিন!

ক্যালেন্ডারের পাতা থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি দিনটা উধাও হলে কী যে হতো! আধুনিক ফুটবল হয়তো তার অর্ধেক রঙই হারাত। এই দিনে এতগুলো ফুটবলার জন্ম না নিলে তাই তো হতো। আধুনিক ফুটবলের বড় দুই নাম  ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও নেইমার জুনিয়রের দেখা হতো না। ১৯৮৫ সালের আজকের এই দিনে জন্মেছিলেন এ সময়ের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়, পর্তুগিজ ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, আর তার ঠিক সাত বছর পরেই জন্ম নিয়েছিলেন আধুনিক ব্রাজিল ফুটবলের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন নেইমার জুনিয়র। ইতিহাস বলছে আরও বেশ কয়েকজন জনপ্রিয় ফুটবল তারকা এদিন এই ৫ ফেব্রুয়ারি পৃথিবীতে এসেছিলেন।

১৯৩২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ইতালিতে জন্ম নিয়েছিলেন সিজার মালদিনি নামের একজনও। মিলানের প্রতীক হয়ে যাওয়া মালদিনি পরিবারের প্রথম প্রজন্মের গল্পটা তার হাত ধরেই। ১৯৬৩ সালে মিলানকে প্রথম ইউরোপিয়ান কাপ এনে দেওয়া দলের অধিনায়ক ছিলেন, প্রিয় ক্লাবের এক যুগের ক্যারিয়ারে লিগও জিতেছেন চারবার। পরে কোচ হয়েও দুই দফায় মিলানের ডাগআউটে এসে জিতিয়েছেন উয়েফা কাপ, উইনার্স কাপ ও ইতালিয়ান কাপ। মিলানের ইতিহাসে অন্যতম সেরা ডিফেন্ডারদের তালিকা করলে ছেলে পাওলোর সঙ্গে সিজারেকেও রাখতেই হবে।

৫ ফেব্রুয়ারি জন্মেছিলেন গিওর্গি হ্যাজিও। রুমানিয়ার ইতিহাসে সর্বকালের সেরা ফুটবলার একজন তিনি নিঃসন্দেহে। আশি ও নব্বইয়ের দশকে ছিলেন বিশ্ব ফুটবলেরও অন্যতম সেরাদের একজন। ‘কার্পেথিয়ানসের ম্যারাডোনা’ হিসেবে খ্যাত হ্যাজির স্টুয়া বুখারেস্ট, রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার হয়ে বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার। ছিলেন ১৯৯৪ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে খেলা রোমানিয়া দলের সবচেয়ে উজ্জ্বল তারকা।

এই বিখ্যাত ফুটবলারদের ভিড়ে একই দিনে জন্ম হয়েছিল এক বিখ্যাত কোচেরও সোয়েন-গোরান এরিকসন। সুইডিশ এই রাইটব্যাকের ফুটবল ক্যারিয়ার খুবই সাদামাটা। কিন্তু কোচ হিসেবে সাফল্য ঈর্ষণীয়। সুইডিশ আইসম্যান হিসেবে খ্যাত এরিকসন ক্লাব ও জাতীয় দলের দায়িত্ব নিয়ে দশটি দেশে কাজ করেছেন। ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত ইংল্যান্ড জাতীয় দলের কোচ ছিলেন। তিনটি আলাদা দেশে (সুইডেন, পর্তুগাল ও ইতালি) লিগ ও কাপের ডাবল জেতা প্রথম কোচও তিনি।