হোমিও কাউন্সিলের কন্ট্রোলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

সারা দেশের হোমিও কলেজসমূহ দেখভাল ও নিয়ন্ত্রণের সরকারি সংস্থা হচ্ছে ‘বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড’। যা বর্তমানে কাউন্সিল হিসেবে পরিচিত। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে এটি হয়ে ওঠেছিল দুর্নীতির আখড়া। সরকার পরিবর্তনের পর রাঘববোয়াল কয়েকজন অপসারণ হলেও এখনও তাদের দোসররা রয়েছেন বহাল তবিয়তে। এর মধ্যে একজন হলেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ডা. মো. শহিদুল ইসলাম। তার নেতৃত্বে দেশজুড়ে চলছে চাঁদাবাজি ও নিয়োগের অনিয়ম দুর্নীতি।

জানা গেছে, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয় ২০১৯ সালের ৩০ জুন। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আবেদনকারীর বয়স উল্লেখ ছিল ৩৫ বছর। এ ছাড়া স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রিসহ কোনও স্বীকৃত হোমিওপ্যাথি কলেজের শিক্ষক হিসেবে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়। তবে বিশেষ যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীর বয়স শিথিলযোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়। এটিকে কাজে লাগিয়েই ৪৭ বছর বয়সে নিয়োগ বাগিয়ে নেন ডা. শহিদুল ইসলাম।

অভিযোগ রয়েছে, ফ্যাসিস্ট আমলের চেয়ারম্যান ডা. দিলীপ রায়কে ম্যানেজ করেই অসাধ্যকে সাধন করেছেন তিনি। এই অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করার চেষ্টা ব্যর্থ হয়।

প্রাপ্ত তথ্য মতে, কন্ট্রোলার পদে চাকরির বয়স বাড়াতে হোমিওপ্যাথি বোর্ড থেকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়। এর জবাবে মন্ত্রণালয় ৭ জুলাই ২০১৯  এক পত্রে ‘হোমিওপ্যাথি বোর্ড কর্মকর্তা-কর্মচারী চাকরি প্রবিধিমালা নিয়োগ-২০০৩’ সংশোধনের নির্দেশনা দেয়। কিন্তু সেটি উপেক্ষা করেই ডা.শহিদুল ইসলামের নিয়োগ সম্পন্ন হয়। আবেদনের তথ্য অনুযায়ী তার জন্ম তারিখ ০৫-০৮-১৯৭২। সে হিসেবে ওই সময় তার বয়স ছিল ৪৬ বছর ৯ মাসের মতো। বিজ্ঞপ্তিতে বয়স শিথিলের কথা বলা হলেও সেক্ষেত্রে ৩ বছরের বেশি ছাড় দেওয়া হয়।