পর পর দুই এসএ গেমসে স্বর্ণজয়ী ভারোত্তোলক মাবিয়া আক্তার সীমান্তর ফেসবুকের রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস আর সিঙ্গেল থাকছে না। শুক্রবার নিজেই সেটা পাল্টে ফেলেছেন। হ্যাঁ, ভারোত্তোলনের রানী এবার তুলবেন সংসারের ভার।
দীর্ঘদিনের সতীর্থ, জাতীয় পর্যায়ে স্বর্ণপদকজয়ী সাকায়েত হোসেন প্রান্তর সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছেন সীমান্ত। ২০১৯ সালে যে এসএ গেমসে দ্বিতীয়বারের মত সোনা জিতেছিলেন মাবিয়া, সেই আসরেই দেশকে রূপা উপহার দিয়েছিলেন প্রান্ত। দুই লিফটারই বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির সদস্য। আপাতত সীমান্ত ঢাকার বাসা ছেড়ে থাকবেন কুষ্টিয়া শ্বশুরবাড়ি। সেখানেই লিফটিং ক্লাবে চালিয়ে যাবেন অনুশীলন। তবে জাতীয় দলের ক্যাম্প হলে ফিরবেন ঢাকায়।
একই অঙ্গনের মানুষ বলেই প্রথমেই মনে হতে পারে সম্পর্কটা অনেকদিনের। মাবিয়া নিজেই সেই ভুল ভাঙিয়ে দিলেন, 'ওরকম কোন প্রেমের সম্পর্ক আমাদের মধ্যে ছিল না। উনি আমাকে পছন্দ করতেন। ২০২৩ সালে সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব দেন আমার বাবা-মায়ের কাছে। পারিবারিকভাবেই বিয়ে ঠিক হয়েছিল। তবে বিয়েটা দেরী হয়েছে খেলা নিয়ে দুজনেরই ব্যস্ততার কারণে। আমাদের জন্য দোয়া করবেন।'
মাবিয়ার গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরে হলেও তার জন্ম ঢাকাতেই। ২০১৬ এসএ গেমসে স্বর্ণপদক জয়ের পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী তাকে একটি ফ্ল্যাট উপহার দিয়েছিলেন।
একটা সময় হয়তো প্রান্তকে নিয়ে সেখানেই স্থায়ী হবেন মাবিয়া। তার আগে কুষ্টিয়ায় শ্বশুর-শ্বাশুরির কাছে থাকার পরিকল্পনা তাদের।