২৫ পেরিয়ে স্যানমার

স্যানমার চট্টগ্রামে রিয়েল এস্টেট শিল্পে এক অনন্য নাম। চট্টগ্রামে আজ যত আইকনিক ভবন দেখা যায় এবং সবচেয়ে বেশি যে প্রতিষ্ঠানের নামফলক দেখা যায়, সেই প্রতিষ্ঠানটি হলো স্যানমার। চট্টগ্রাম মহানগরীর আবাসন শিল্পের বিকাশে স্যানমার একটি অপরিহার্য নাম। এই স্যানমারের উল্লেখযোগ্য একটি প্রকল্প হলো স্যানমার গ্রিনপার্ক।

পাহাড়ের সবুজ ঘেঁষে ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ের ঠিক পাশেই সম্ভাবনাময় বাণিজ্যিক জনপদ বায়েজিদ লিংক রোডের কেন্দ্রে তৈরি হচ্ছে মাল্টিপারপাস ফ্যাসিলিটির স্যানমার গ্রিনপার্ক। ২৬-তলা ভবনের সুবিশাল তিনটি ভবন নিয়ে তৈরি স্যানমার গ্রিনপার্ক প্রজেক্টে থাকছে কমার্শিয়াল ও রেসিডেন্সিয়াল স্পেসসমৃদ্ধ সব ধরনের নাগরিক সুযোগ-সুবিধা। রেসিডেন্স স্পেসের ভেতরে থাকছে জগার্স ট্র্যাক, প্রেয়ার রুম, জিম ও স্কাই-লাউঞ্জ এবং সেই সঙ্গে মাল্টিইউলিটির এই প্রজেক্টে থাকবে চট্টগ্রামের আরেক সর্বাধুনিক মানের শপিং মল স্যানমার গ্রিনপার্ক মল। দেশি-বিদেশি ব্র্যান্ডশপ, সিনেপ্লেক্স, ফুডকোর্ট, বোলিং জোন, সুপার শপ, মেডিকেল ফ্যাসিলিটি, এটিএম ব্যাংকিংসহ নানা সুযোগ-সুবিধা-সংবলিত স্যানমার গ্রিনপার্ক শুধু একটি শপিং মলই নয়, হতে যাচ্ছে পরিবার-পরিজন নিয়ে সময় কাটানোর একটি কাক্সিক্ষত গন্তব্যস্থল। এই ভবনের তিন-তিনটি সুবৃহৎ টাওয়ারের অনেকটা অংশ জুড়েই থাকছে ব্যবসা-বাণিজ্যে সুদৃঢ় আগামী গড়ার অপার সম্ভাবনা। ব্যবসা হোক কিংবা বাসস্থান; স্যানমার গ্রিনপার্ক নিশ্চিত করেছে গ্রাহকদের জন্য সেরা ফ্যাসিলিটিস। প্রজেক্টের ধরন, প্রযুক্তি, ডিজাইন, এক্সিকিউশন ও লোকেশন মিলিয়ে এই প্রজেক্টটি শুধু বসবাস ও ব্যবসার জন্যই সেরা নয়, সেই সঙ্গে বিনিয়োগের জন্য এটি একটি লাভজনক ও সুবর্ণ সুযোগ।

আভিজাত্যের অনন্য নিদর্শন স্যানমার অরচার্ড গার্ডেন

বন্দরনগরী চট্টগ্রামের ভবিষ্যৎ আবাসিক এলাকা পশ্চিম খুলশীতে সবুজের সমারোহে চারপাশের প্রয়োজনীয় সব কিছুকে হাতের নাগালে রেখে গড়ে উঠছে শহরের প্রথম প্রিমিয়াম গেটেড কন্ডোমিনিয়াম টুইন টাওয়ার স্যানমার অরচার্ড গার্ডেন। প্রয়োজনীয় সবকিছু আবাসন প্রকল্পের  ভেতরেই থাকার ফলে এই প্রজেক্টের একটি বিশেষ লক্ষ্য হচ্ছে নিজস্ব পরিসীমার মধ্যেই আবাসনের বাসিন্দাদের জন্য একটি নিজস্ব জগৎ তৈরি করা। এক্সক্লুসিভ সুযোগ-সুবিধার মধ্যে থাকছে গ্র্যান্ড লবি, লাউঞ্জ, ফাইন ডাইনিং রেস্টুরেন্ট, পার্টি হল, বেভারেজ লাউঞ্জ, গেম জোন, সুইমিং পুল, জিমনেশিয়াম ও স্পা এ রকম অনেক বিশেষ এমেনিটিজ। সময়ের সঙ্গে আধুনিকতার সাক্ষী হিসেবে আভিজাত্যের অনন্য প্রতীক হয়ে চট্টগ্রামের মাটিতে সগৌরবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে স্যানমার অরচার্ড গার্ডেন।

এ বিষয়ে স্যানমারের এজিএম আন্দালিব রহমান রসি  দেশ রূপান্তরকে বলেন, স্যানমার এ পর্যন্ত নগরীতে শতাধিক প্রকল্প হস্তান্তর করেছে এবং চলমান রয়েছে আরও অসংখ্য প্রকল্প। নগরবাসীকে উন্নত আবাসন সুবিধা দিতে আমরা কাজ করছি।