মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানে ধারালো অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে ধলেশ্বরী নদীর তীরে এক নারী গার্মেন্টসকর্মীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় মো. বাবুল (৩৩) নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত গভীর রাত আড়াইটার দিকে নারায়নগঞ্জের ফতুল্লা থানার মাসদাইর এলাকা অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার বাবুল গার্মেন্টসকর্মীর দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত ৪ নম্বর আসামি। তিনি জেলার সিরাজদীখান উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের চর চসুমদ্দিন গ্রামের মো. শামসুদ্দিনের ছেলে। এর আগে গত শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে মামলার প্রধান আসামি নুরুল ইসলাম নুরুকে (৩৫) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওইদিন রাতেই গার্মেন্টসকর্মী বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে সিরাজদীখান থানায় মামলা দায়ের করেন।
সিরাজদীখান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার হাফিজুর রহমান জানান, গ্রেপ্তার বাবুলকে আজ রবিবার সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় ২৯ বছর বয়সী ওই নারী গার্মেন্টসকর্মী নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার বিসিক পঞ্চবটি এলাকার কর্মস্থল থেকে সিরাজদীখান উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের মোল্লাকান্দি বাজারস্থ স্বামীর মুদি দোকানে যাচ্ছিলেন। পথে অটোরিকশাটি মোল্লাকান্দি বালুরচর গ্রামের ডিসি প্রজেক্টের সামনে আসলে গতিরোধ করে ২ যুবক। এ সময় ধারালো অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে গার্মেন্টস কর্মীকে তুলে নিয়ে যায় ডিসি প্রজেক্ট সংলগ্ন ধলেশ্বরীর তীরের নির্জন স্থানে। সেখানে আরও ৩ যুবক মিলিত হয়। এরপর সন্ধ্যা থেকে শুরু করে বেশ রাত পর্যন্ত সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে গার্মেন্টস কর্মীকে ছেড়ে দেয়।