একটি জনবান্ধব, স্বাধীন ও শক্তিশালী জাতীয় মানবাধিকার কমিশন প্রতিষ্ঠায় মানবাধিকার কমিশন আইনকে দ্রুত সংশোধন করে কার্যকর ও যুগোপযোগী বিধিমালা প্রণয়নে তাগিদ দিয়েছেন বিশিষ্টজনরা। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন : প্রত্যাশা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক সেমিনারে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ মহিউদ্দীনের সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মানবাধিকারকর্মী ও গবেষক সুলতান মোহাম্মদ জাকারিয়া। মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
সেমিনারে আলোচকেরা বলেন, জনবান্ধব, স্বাধীন ও শক্তিশালী জাতীয় মানবাধিকার কমিশন প্রতিষ্ঠায় এমন একটি নিয়োগ প্রক্রিয়া প্রণয়ন করতে হবে, যেখানে সরকারের হস্তক্ষেপ বন্ধ হবে। তারা বলেন, সরকারের আজ্ঞাবহ কেউ যাতে সেখানে নিয়োগ পেতে না পারে সেজন্য সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধন করতে হবে। বাছাই কমিটিতে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি রাখতে হবে। অভিজ্ঞ, নিরপেক্ষ ও কর্মঠ ব্যক্তিদের নিয়োগ করতে হবে।
আলোচনায় কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব করেন আলোচকেরা। এছাড়া মানবাধিকার কমিশনকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি এর কাজের গতি বাড়াতে কমিশনের সকল সদস্যকে পূর্ণকালীন সদস্য হিসেবে নিয়োগ করার পরামর্শ দেন তারা।
সেমিনারে আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ম সচিব এম এ আওয়াল, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের যুগ্ম সচিব এসএম শাফায়েত হোসেন ও মো. মাহবুবুর রহমান, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সারা হোসেন, ড. মাহাদী আমিন, ড. শরীফ ভূঁইয়া প্রমুখ মতামত তুলে ধরেন।