ঢাবিতে গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের গণইফতার 

পবিত্র মাহে রামাদানের প্রথম রোজাকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) গণইফতার কর্মসূচি পালিত হয়েছে। বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের ঢাবি শাখার উদ্যোগে এই গণইফতারের আয়োজন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

আজ রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) মাঠে এই আয়োজন করা হয়। ইফতারের আগে গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের পক্ষ থেকে সকলের মাঝে মেসওয়াক বিতরণ করা হয়।

সরজমিনে দেখা যায়, টিএসসির মাঠে গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের নেতৃবৃন্দ ইফতার সাজাচ্ছেন৷ পরে ইফতার সামগ্রী শিক্ষার্থী ও অন্যান্যদের মাঝে পরিবেশন করা হয়। গণইফতার কর্মসূচিতে ছেলে ও মেয়েদের জন্য আলাদা বসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

ইফতারে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী সৌরভ বলেন, আজকের এই চমৎকার আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে। এটা ইসলামের সম্প্রতি ও সহনশীলতার প্রকাশ ঘটায়। গতবছর স্বৈরাচারী সরকার যে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিয়েছিল তার প্রতিবাদে প্রথম এই গণইফতার আয়োজিত হয়েছিল। এবারও তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীরা একসাথে ইফতার করতে পারছে। এমন আয়োজনের সাধুবাদ জানাই।

ইফতার পূর্ব সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আবু বাকের মজুমদার বলেন, গতবছর সাস্টের (SUST) প্রশাসন যখন ইফতারে বাধা দেয় তখন আমরা পায়রা চত্বরে গণইফতার করেছিলাম। এ বছর সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে গণইফতার এর আয়োজন করেছি। আজকে আমাদের ধারণার চেয়েও বেশি শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন। আমরা সম্মিলিতভাবে ইফতার আনন্দ উপভোগ করব।

আর্থিক বিষয় তুলে ধরে বলেন, আমাদের ইফতার এর খরচ শুভাকাঙ্ক্ষী ও গণচাঁদার মাধ্যমে তোলা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই যারা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন তারাও আমাদের আর্থিক সহায়তা করেছেন।

সংগঠনটির ঢাবি আহ্বায়ক আব্দুল কাদের বলেন, গতবার বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী আমাদের গণইফতার এ অংশ নিয়ে স্বৈরাচারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে জবাব দিয়েছিল। আমরা চাই ইসলামফোবিয়ার সম্প্রসার না ঘটুক। ইফতারের মাধ্যমে সম্প্রতির পরিবেশ বজায় থাকুক৷