আবাহনী মোহামেডান ফিরবে ভলিবলে

দীর্ঘদিন পর দেশের দুই ঐতিহ্যবাহী দল আবাহনী ও মোহামেডানকে ভলিবলে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। স্বাধীনতার পর মোহামেডান, ওয়ারী, ভিক্টোরিয়া, ওয়াপদা ভালোমানের দল গড়ত ভলিবল লিগে। এছাড়া নারী লিগে একবার অংশ নিয়েছিল আবাহনীও। সময়ের স্রোতে এই দুই ক্লাব অনেক খেলা থেকেই নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছিল। তবে বাংলাদেশ ভলিবল ফেডারেশনের নতুন অ্যাডহক কমিটি আবার লিগ জমজমাট করতে চাচ্ছে মোহামেডান ও আবাহনীর মতো সমর্থকপ্রিয় ক্লাবগুলোকে ফিরিয়ে। ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বিমল ঘোষ ভুলু বলেন, ‘স্বাধীনতা কাপ ভলিবল খেলার জন্য আমরা সব ক্লাবকেই আমন্ত্রণ জানিয়েছি। যে ক্লাবগুলো এখন আছে তাদের বলেছি অনুশীলন করতে। আমরা নতুন করে মোহামেডান ও আবাহনীর মতো জনপ্রিয় ক্লাবকে ভলিবলে আনতে চাচ্ছি। বসুন্ধরা কিংসকেও লিগে আনার চেষ্টা করব। আমরা প্রতিটি ক্লাবে যাব। সবার সঙ্গে কথা বলব। যাতে তারা ভলিবলে দল গঠন করতে আগ্রহী হয়।’

যদিও চলতি বছর লিগে বড় ক্লাবগুলোকে লিগে পাওয়া যাবে কিনা তা এখনই বলা যাচ্ছে না। ভুলু বলেন, ‘আমরা প্রথমে ক্লাবগুলোকে খেলতে রাজি করানোর চেষ্টা করছি। এবারের লিগে না হোক পরের লিগে যাতে তারা অংশ নেয়। জনপ্রিয় ক্লাবগুলোর লিগে খেলাটাই হবে বিশাল এক অর্জন।’

ফেডারেশনে সেভাবে আর্থিক সংকট নেই। বিগত কমিটি ২ কোটি টাকার এফডিআর করে গেছে ফেডারেশনের নামে। এছাড়া নগদও আছে প্রায় ৬৫ লাখ টাকার মতো। ভুলু তাই দ্রুতই লিগ ও অন্যান্য আয়োজনের ব্যাপারে আশাবাদী, ‘আমাদের সেভাবে আর্থিক সমস্যা নেই। ক্রীড়া সরঞ্জামাদিও বুঝে পেয়েছি। তাই খেলা চালাতে আমাদের সমস্যা হবে না।’ প্রায় ১৭ বছর এই ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের উপ-মহাসচিব ও জেলা ও বিভাগীয় ফোরাম নেতা আশিকুর রহমান মিকু। আর্থিকভাবে ফেডারেশনকে শক্তিশালী করলেও আবাহনী-মোহামেডানের মতো ক্লাবগুলোকে লিগে আনতে পারেননি এই বর্ষীয়ান সংগঠক।