ইউরোপা লিগে শেষ ষোলোর প্রথম লেগে সোসিয়াদাদের মাঠ থেকে ড্র নিয়ে ফিরেছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ফলে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের ফলাফলের ওপরই নির্ভর করছিল কোন দল যাবে পরবর্তী রাউন্ডে। নিজেদের মাঠে জ্বলে উঠলেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ। তার হ্যাটট্রিকে ম্যানইউ ৪-১ গোলে হারিয়েছে সোসিয়াদাদকে। দুই লেগ মিলে ৫-২ ব্যবধানে জিতে শেষ আটে পা রেখেছে ম্যানইউ। শেষ আটে উঠে উজ্জীবিত কোচ রুবেন আমোরিম এখন শিরোপার স্বপ্ন দেখার সাহসও পাচ্ছেন। বিশেষ করে, দুঃসময়ে দলের কা-ারি হয়ে থাকা ব্রুনো ফার্নান্দেজের জন্য ট্রফি চান কোচ।
ম্যাচের দশম মিনিটে মিকেল ওইয়ারজাবালের পেনাল্টিতে এগিয়ে গিয়েছিল সোসিয়েদাদ। তবে ছয় মিনিট পরই ফার্নান্দেজের পেনাল্টি গোলে সমতায় ফেরে ম্যানইউ। ৫০ মিনিটে আবারও পেনাল্টি পায় ম্যানইউ। এবারও স্পটকিকে গোল করেন ফার্নান্দেজ। ৬৩ মিনিটে ডিফেন্ডার জন আরামবুরু লাল কার্ড দেখায় ১০ জনের দলে পরিণত হয় সোসিয়েদাদ। পর্তুগিজ মিডফিল্ডার ফার্নান্দেজ হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন ৮৭ মিনিটে। যোগ করা সময় ব্যবধান আরও বাড়ান দিয়েগো দালোত।
ম্যাচ শেষে কোচ আমোরিম বলেন, ‘ব্রুনোকে নিয়ে এর মধ্যেই অনেক কথা বলেছি আমরা। কখনো কখনো সে হতাশ হয়ে ওঠে। আমরা জানি, সে জিততে মরিয়া। যখন সবকিছু ঠিকঠাক হয় না, তখন সে পজিশন বদল করে বলের পেছনে ছুটতে থাকে। তবে আমাদের যখনই প্রয়োজন, সবসময়ই তাকে পাওয়া যায়। আমাদের দলের জন্য সে আদর্শ অধিনায়ক ও আমাদের উচিত, তার পাশে থেকে শিরোপা জিততে সহায়তা করা।’ এই নিয়ে টানা ছয় ম্যাচে গোল করলেন ফার্নান্দেজ। ম্যানইউর শেষ ১৩ গোলের ১১টিতে সরাসরি অবদান আছে ফার্নান্দেজের।
শেষ আটে ফরাসি ক্লাব লিওঁর সঙ্গে খেলবে ম্যানইউ। আরও যে ৬টি দল শেষ আটে উঠেছে তারা হচ্ছে টটেনহ্যাম হটস্পার, অ্যাথলেটিক বিলবাও, আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট, লাৎসিও, গ্লিম্ট, ও রেঞ্জার্স।
টটেনহ্যাম প্রথম লেগে হেরেছিল (০-১) এজেড আলকামারের বিপক্ষে। তবে নিজেদের মাঠে দ্বিতীয় লেগে ৩-১ গোলের জয়ে শেষ আটে উঠেছে টটেনহ্যাম। জোড়া গোল করেছেন উইলসন ওডোবের্ত। আরেকটি গোল করেন জেমস ম্যাডিসন। আলকামারের হয়ে একটি গোল শোধ দেন পের কুপেমেইনের্স। দুই লেগ মিলে ৩-২ ব্যবধানে জিতে কোয়ার্টারে গেল টটেনহ্যাম।