আর কোনও আছিয়ার লাশ দেখতে চাই না: সুব্রত চৌধুরী

গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বলেছেন, বিগত সরকার রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছিল, যা আমাদের গলার কাঁটা। অনতিবিলম্বে এদের ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করুন। মহাসচিবকে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি খুলে বলুন। মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা নাই। ধর্ষিতরা বিচার পাচ্ছে না। ধর্ষণকারীরা প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করছে। আছিয়াসহ সকল নির্যাতিতের বিচার চাই। আমরা আর কোনও আছিয়ার আর লাশ দেখতে চাই না। বর্তমান সরকার দুর্নীতিগ্রস্ত কর্পোরেট হাউজের মালিকদের বিচার না করে ব্যাংক থেকে নতুন করে অর্থ দেওয়ার ব্যবস্থা করছে।

আজ শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সড়কে গণফোরামের উদ্যোগে ধর্ষণ, নারী নির্যাতন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দিন দিন অবনতি হচ্ছে। পুলিশ বাহিনীর ওপর আক্রমণ হয়। পুলিশের কাছ থেকে আসামির ছিনতাই হয়, সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করা হয় না, সেনাবাহিনীকে মাঠে নামিয়ে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না, এতে করে সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।

সাধারণ সম্পাদক ডা. মিজানুর রহমান বলেন, ধর্ষণ, নারী নির্যাতন, খুন, ছিনতাই ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কারণ কোনও ধরনের অন্যায়-অত্যাচারের বিচার হচ্ছে না। অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও বিচার করা হয় না। ওরা প্রশাসনকে ভয় পায় না। কালো টাকায় পাঁচ তারকা হোটেলে ইফতার হয়। ছাত্রদের হাতে এখনো পাঠ্যবই পৌঁছায়নি। অবিলম্বে ছাত্রদের হাতে পাঠ্যবই দেওয়ার ব্যবস্থা করুন।

তিনি আরো বলেন, গণফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ড. কামাল হোসেন বলেছেন জনআকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার করা যাবে। ক্ষমতাসীনরা সংবিধান বাতিল করে পুনঃলিখন করতে চায়। মুক্তিযুদ্ধের সকল চিহ্ন ও স্মৃতি মুছে ফেলতে চায়। এ অবস্থা চলতে থাকলে অন্যান্য দলকে নিয়ে আমরা জোরদার আন্দোলন গড়ে তুলব।

এতে আরও বক্তব্য রাখেন অ্যাডভোকেট জগলুল হায়দার আফ্রিক, রওশন ইয়াজদানী, লতিফুল বারী হামিম, রফিকুল ইসলাম পথিক, মির্জা হাসান, মাসুদুর রহমান মাসুদ, মোহাম্মদ উল্লাহ মধু, আজম রূপু, হাবিবুর রহমান বুলু, নূরনবী, নাজমুল ইসলাম সাগর, আমিনুল ইসলাম, আশরাফ হোসেন, সাইফুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট মজিবুল হক, অ্যাডভোকেট সাগরিকা ইসলাম প্রমুখ।