৪০ বছর ধরে মিষ্টি তৈরি ও বিপণন এবং রোজায় ইফতারি বিক্রি করছেন হাইওয়ে সুইটস। সেকালের ইফতারি ও বর্তমানের ইফতারির মধ্যে পার্থক্য কী জানতে কথা হয় হাইওয়ে সুইটসের স্বত্বাধিকারী মুরাদ চৌধুরীর সঙ্গে।
দেশ রূপান্তর : আপনি তো গত ৪০ বছর ধরে মিষ্টি তৈরি ও রোজায় ইফতারি বিক্রি করছেন। সেকাল ও একালের মধ্যে কি পার্থক্য দেখছেন?
মুরাদ চৌধুরী : সময়ের আবর্তনে যতই বিবর্তন আসুক না কেন বাঙালির ইফতার টেবিলে চনাবুট, পেঁয়াজু, বেগুনি, খেজুর, শরবত, ফিরনি এগুলো
থাকবে। তখনকার সময়েও এসব আইটেম কেউ ঘরে বানাত আবার কেউবা হাতেগোনা রেস্টুরেন্ট থেকে কিনে নিয়ে যেত। তবে ঘরের তৈরির ইফতারিতে প্রাধান্য ছিল বেশি। এখন অনেক নতুন নতুন রেস্তোরাঁ গড়ে উঠেছে, সেগুলোতে দেশীয় ও বিদেশির আইটেমের সংমিশ্রণে ইফতারি আইটেম তৈরি হচ্ছে। নগরবাসীও তা গ্রহণ করছে।
দেশ রূপান্তর : আপনি বললেন আগে রেস্তোরাঁ বেশি ছিল না। এখন অনেক রেস্তোরাঁ নতুন নতুন ক্রেজ নিয়ে আসছে। তাহলে কি আগেকার আবেদন ফুরিয়ে গেছে?
মুরাদ চৌধুরী : মোটেও না। আগেকার আবেদন এখনো আছে বলে সে সময়ের কোনো আইটেম কিন্তু ইফতারির তালিকা থেকে বাদ যায়নি। তবে এখন যেহেতু মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে সমাজে বিভিন্ন আয়ের শ্রেণির মানুষ গড়ে উঠেছে। নগরবাসী আয় ও রুচিভেদে কেউবা পাঁচ তারকা হোটেলের, কেউবা পেনিনসুলা আবার কেউবা রোদেলা বিকেল ও বারকোড থেকে ইফতারি কিনছে। তবে এসব শ্রেণির গ্রাহকরা কখনো সাধারণ মানের রেস্তোরাঁ থেকে ইফতার কিনবেন না, এসব ব্র্যান্ডের প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্রেতা নির্দিষ্ট শ্রেণির।