তাপমাত্রা আরও বাড়বে

দেশের কিছু অঞ্চলে মৃদু তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে এবং তাপমাত্রা আরও কিছুটা বাড়তে পারে, জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকার কারণে আর্দ্রতা অনুভূত হবে, যার ফলে জনমনে অস্বস্তি বেড়ে যেতে পারে। তবে, এ সময় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা খুবই কম।

আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহী, রাঙামাটি, ফেনী, চট্টগ্রাম, বাগেরহাট, যশোর এবং পটুয়াখালী অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ প্রবাহিত হচ্ছে এবং তা আগামী দিনগুলিতে অব্যাহত থাকতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রাও কিছুটা বাড়তে পারে।

গতকাল বুধবার দেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাঙামাটি ও যশোরে, যেখানে তা ছিল ৩৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকা শহরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক জানিয়েছেন, আগামী কয়েকদিনে তাপমাত্রা আরও ১-২ ডিগ্রি বাড়তে পারে। তবে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। তবে ২৯ এবং ৩০ মার্চ চট্টগ্রাম অঞ্চলের কিছু জায়গায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানায়, পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বিস্তৃত রয়েছে, পাশাপাশি মৌসুমী লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির জানান, চলতি মাসের বাকি সময় এবং ঈদের দিনেও বৃষ্টির সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। কিছু এলাকায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হলেও তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকবে।  

তাপমাত্রা যদি ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠে, তবে এটি মৃদু তাপপ্রবাহ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে এটি মাঝারি তাপপ্রবাহ হিসেবে গণ্য হয়, এবং ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তা তীব্র তাপপ্রবাহ বলে বিবেচিত হয়। তাপমাত্রা যদি ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে চলে যায়, তবে সেটি অতি তীব্র তাপপ্রবাহ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।