মিয়ানমারের রাজধানী নেপিদোতে শনিবার বিকালে একাধিক আফটারশক অনুভূত হয়েছে। স্থানীয় সময় বিকাল ৩টায় আফটারশক হয় বলে জানিয়েছে বিবিসি বার্মিজ।
এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেছেন, রাতে অন্তত ছয়বার কম্পন হয়েছে। এখন বেশিরভাগ মানুষ মঠ ও অন্যান্য স্থানে ছুটে যাচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নেপিদোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সেখানে ভবন ধস, রাস্তাঘাট ফেটে যাওয়া এবং সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রাণহানি ঘটেছে। জানা গেছে, জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইং হাসপাতালে গিয়েছিলেন। সেখানে আহতদের ভিড়ে বিপর্যস্ত পরিস্থিতি দেখা গেছে।
জান্তা সরকারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও কয়েক হাজার মানুষ।
এই দুর্যোগ মোকাবিলায় জান্তা সরকার আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে। তবে বিরোধী ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট জোর দিয়ে বলছে যেকোনও সহায়তা যেন স্বাধীনভাবে ও স্থানীয় নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়।
২০২১ সাল থেকে দেশটির সাগাইং, মান্দালয়, মাগওয়ে, বাগো, ইস্টার শান রাজ্য এবং নেপিডো অঞ্চলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে জান্তা। দেশটির দুই বড় শহর, মান্দালয় ও ইয়াংগুনের বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনও বিচ্ছিন্ন।