বাকলিয়ায় জোড়া খুন

কিলিং মিশনের দুই আসামি গ্রেপ্তার

চট্টগ্রাম নগরে জোড়া খুনে সরাসরি অংশগ্রহণকারী ও পরিকল্পনাকারী দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২ এপ্রিল) দিবাগত রাত ২টার দিকে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি থানার কাঞ্চননগর ও চান্দগাঁও থানার খাজা রোড বাদামতল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত পোশাকও উদ্ধার করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইখতিয়ার উদ্দিন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- চান্দগাঁও থানার খাজা রোড বাদামতল এলাকার বাসিন্দা মো. রফিকের ছেলে মো. বেলাল (২৭), যিনি হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেন এবং যার স্থায়ী ঠিকানা বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর ইসলামপুর। অপরজন মো. মানিক (২৪), যিনি মোটরসাইকেল সরবরাহ ও হামলার পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন। তিনি ফটিকছড়ি থানার কাঞ্চননগর এলাকার মৃত আবুল হাশেমের ছেলে।

পুলিশ জানায়, গত ৩০ মার্চ রাত ২টার দিকে বাকলিয়ার রাজাখালী ব্রিজ এলাকায় চট্টমেট্রো-গ-১২-৯০৬৮ নম্বরের প্রাইভেটকারে থাকা সরোয়ার হোসেন বাবলা, আব্দুল্লাহ আল রিফাত, মো. বখতিয়ার হোসেনসহ কয়েকজন হামলার শিকার হন। ৬-৭টি মোটরসাইকেলে আসা হামলাকারীরা তাদের ধাওয়া করে এবং এক্সেস রোডের শেষ মাথায় নবাব সিরাজউদ্দৌলা রোড সংলগ্ন ঢাকাইয়া খানা রেস্টুরেন্টের সামনে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে বখতিয়ার হোসেন (২৮) ও আব্দুল্লাহ আল রিফাত (২২) গুরুতর আহত হন। তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) নেওয়া হলে চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত রবিউল হোসেন হৃদয় ও রবিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইখতিয়ার উদ্দিন জানান, সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারীসহ অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। ইতোমধ্যে দুইজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ বলছে হত্যাকাণ্ডের পেছনে ব্যক্তিগত বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তার সংক্রান্ত কারণ থাকতে পারে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।