হারতে হারতে বাংলাদেশ দলের অবস্থা যখন করুণ হয়ে ওঠে, তখনই ত্রাতা হয়ে দাঁড়ায় জিম্বাবুয়ে। হালের খর্বশক্তির এই দলটি বাংলাদেশের ক্রিকেটের ‘বিপদের বন্ধু’ হিসেবে পরিচিত। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে আজ মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকায় এসেছে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দল। বিমানবন্দরে তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনায় বরণ করা হয়। আগামীকাল বুধবার তাদের সিলেট যাওয়ার কথা আছে।
চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ভরাডুবির পর এই প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। দুই ম্যাচের এই সিরিজটি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ নয়। তবু ‘বিপদের বন্ধু’দের বিপক্ষে শক্তিশালী দলই ঘোষণা করেছে বিসিবি। গতকাল সোমবার থেকে সিলেটে শুরু হয়ে গেছে স্বাগতিক ক্রিকেটারদের অনুশীলন। তবে খর্বশক্তির জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ভালো খেললেও স্বস্তিতে থাকতে পারেন না ক্রিকেটাররা।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের দাপুটে পারফর্মেন্সটাই প্রত্যাশিত এবং স্বাভাবিক। ব্যাটাররা রানের বন্যা বইয়ে দেবেন, বোলারদের ঝুলি ভর্তি হবে উইকেটে, রেকর্ডের পর রেকর্ড হবে- এটাই নিয়মিত দৃশ্য। তবে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের যে করুণ দশা –তাতে একেবারে শঙ্কামুক্ত হওয়ার সুযোগ নেই। টাইগারদের অনুশীলনেও নাহিদ রানা-হাসান মাহমুদদের সামনে ব্যাটসম্যানদের ভুগতে দেখা গেছে।
প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে হওয়ায় এই সিরিজ নিয়ে দর্শকদের তেমন কোনো আগ্রহ নেই। কারণ এই সিরিজে এক দলের আগুনে বোলিংয়ের বিপক্ষে আরেক দলের দুর্দান্ত ব্যাটিং দেখার কোনো সম্ভাবনাই নেই! সে কারণেই হয়তো এখন পর্যন্ত সিরিজ সম্প্রচারেও কেউ আগ্রহ দেখায়নি। আদৌ সিলেট ও চট্টগ্রাম টেস্ট টিভিতে দেখা যাবে কিনা- সেটা নিয়েও বড়সড় অনিশ্চয়তা আছে। ২০ এপ্রিল শুরু হবে প্রথম টেস্ট। এরপর চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টেস্ট ২৮ এপ্রিল থেকে।