এক দীর্ঘ বিরতির পর আবার শুরু হতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের পথচলা। নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে থাকতে সম্ভাব্য প্রার্থীরা এবার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করছেন। যদিও রাজনৈতিক পরিচয় প্রার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ; তবে এবারের নির্বাচনে অধিক গুরুত্ব পাবেন স্বচ্ছ, শিক্ষাবান্ধব ও শিক্ষার্থীদের স্বার্থে বিভিন্ন আন্দোলন ও কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন এমন প্রার্থীরা।
এদিকে সম্ভাব্য প্রার্থীরাও কাজের মাধ্যমে যোগ্যতাকে শান দিয়ে নিজেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিচিত হওয়ার চেষ্টা করছেন। নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা না হলেও ক্যাম্পাসে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে তাদের গ্রহণযোগ্যতা ও উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন পর্যন্ত ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়েছে ৩৭ বার। এর মধ্যে ২৯ বার অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমলে। আর স্বাধীনতার ৫৩ বছরে শিক্ষার্থীরা ভোট দিতে পেরেছেন মাত্র ৮ বার। অথচ ১৯৭৩ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ অনুযায়ী, প্রতিবছর ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা। ডাকসু মনোনীত পাঁচজন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম ‘সিনেট’-এর সদস্য হয়ে শিক্ষার্থীদের স্বার্থ ও সমস্যা তুলে ধরেন।
সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালের ১১ মার্চ। যদিও সেই নির্বাচন ছিল অনেকটা ‘বিতর্কিত’। এরপর দীর্ঘ ৫ বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও নতুন নির্বাচন হয়নি। অবশেষে শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৫ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ডাকসু নির্বাচনের জন্য একটি রোডম্যাপ প্রকাশ করে। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে এবং ক্যাম্পাসে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, আগামী জুন মাসের মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য একটি ছয় সদস্যের কমিটি কাজ করছে, যার নেতৃত্বে আছেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা। তাদের পরিচালিত জরিপে দেখা যায়, ৭৫ শতাংশ শিক্ষার্থী জুনের মধ্যেই নির্বাচন চায়।
নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে শিগগিরই প্রধান রিটার্নিং অফিসার, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নিয়োগ, ভোটার তালিকা প্রস্তুত এবং তফসিল ঘোষণা করা হবে। ইতিমধ্যে মাঠে নেমে পড়েছে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। শিক্ষার্থীদের মুখে এখন বারবার উচ্চারিত হচ্ছে- যোগ্যতা, গ্রহণযোগ্যতা ও মেধাবী নেতৃত্ব।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে আলোচনায় আছেন- ছাত্রদলের ঢাবি শাখার দপ্তর সম্পাদক মল্লিক ওয়াসি উদ্দিন তামি, কবি জসীমউদ্দীন হলের প্রচার সম্পাদক তানভীর বারী হামিম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) ঢাবি শাখার আহ্বায়ক আব্দুল কাদের, কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আবু বাকের মজুমদার, কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব জাহিদ আহসান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও ছাত্র ফেডারেশনের ঢাবির সাবেক সাধারণ সম্পাদক উমামা ফাতেমা, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক আবু সাদিক কায়েম, ঢাবির বর্তমান সভাপতি এস এম ফরহাদ, সাধারণ সম্পাদক মো. মহিউদ্দিন খান, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা, স্বাধীন বাংলাদেশ ছাত্রসংসদের আহ্বায়ক জামালুদ্দীন মুহাম্মাদ খালিদ, সাবেক সহ-সমন্বয়ক এবি জোবায়ের, মোসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মাদ, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল খায়রুল আহসান মারজান, ঢাবি সভাপতি সাইফ মুহাম্মদ আলাউদ্দিন উল্লেখযোগ্য।
এবারের ডাকসুতে রাজনৈতিক পরিচয়ের চেয়ে প্রার্থীদের ব্যক্তিত্ব, কর্মক্ষমতা এবং বিগত সময়ের কার্যক্রমকে প্রাধান্য দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থীর সাথে কথা বলে এসব জনপ্রিয় ছাত্র নেতাদের নাম জানা গেছে৷ ডাকসুর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ডাকসু নির্বাচনের পদ সংখ্যা মোট ২৫টি। এর মধ্যে ভিপি (সহসভাপতি) ও জিএস (সাধারণ সম্পাদক) ছাড়াও ১০টি সম্পাদক এবং ১৩টি সদস্যপদ রয়েছে।
এরই মধ্যে ডাকসুর গঠনতন্ত্র, আচরণবিধি ও পরামর্শ প্রদানবিষয়ক কমিটির সুপারিশ সিন্ডিকেটের অনুমোদন পেয়েছে। এসব বিধিনিষেধ ভঙ্গ করলে হতে পারে প্রার্থিতা বাতিল, অর্থদণ্ড কিংবা বহিষ্কারের মতো শাস্তি। প্রচারণায়ও থাকছে কঠোর নিয়ম-কানুন ও প্রযুক্তি ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা। আচরণবিষয়ক কমিটির দেওয়া সুপারিশের ভিত্তিতে এ বিধিমালা অনুমোদন হয়েছে।
ডাকসুর জন্য জনপ্রিয় প্রার্থী আব্দুল কাদের ঢাবির সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী। তিনি গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের ঢাবি শাখার আহ্বায়ক। জুলাই অভ্যুত্থানে প্রথম সারির সমন্বয়করা আটক হলে তিনি কর্মসূচি ঘোষণা করেন এবং ঐতিহাসিক ৯ দফা ঘোষণা করে তিনি জনপ্রিয় হয়ে উঠেন। বর্তমানে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন অধিকার আদায়ে কাজ করে যাচ্ছেন।
আবু বাকের মজুমদার ভূতত্ত্ব বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী। গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক। গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকায় ছাত্রলীগের নির্যাতনের শিকার হন এবং ফজলুল হক মুসলিম হল থেকে বিতাড়িত হন। জুলাই অভ্যুত্থানে প্রথম সারির সমন্বয়করা আটক হলে তিনি গুরুদায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন অধিকার আদায়ে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।
মল্লিক ওয়াসি উদ্দিম তামি আইন বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী ও ঢাবি ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক। জুলাই অভ্যুত্থানে ঢাবি নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক প্রতিরোধ গড়েন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন জায়গা থেকে ছাত্রলীগের নিশানা মুছে দিতে সামনের সারিতে ছিলেন। বর্তমানে তিনি শিক্ষার্থীদের যেকোনো প্রয়োজনে সাড়া দিয়ে বেশ সক্রিয় রয়েছেন।
শেখ তানভীর বারী হামিম উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী। কবি জসীমউদ্দীন হলের প্রচার সম্পাদক। তিনি ফ্রি টেলিমেডিসিন সেবা, বিনা ডেলিভারি চার্জে হলে ওষুধ পৌঁছে দেওয়া, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও ঔষুধ বিতরণ, নারী শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে স্যানিটারি ভেন্ডিং মেশিন স্থাপন ও ৩৩ শতাংশ কম খরচে প্যাড সরবরাহ, ঈদের দিন হলে থাকা শিক্ষার্থীদের মাঝে খাবার বিতরণের মতো কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন।
আবু সাদিক কায়েম রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক এবং শিবিরের ঢাবি শাখার সাবেক সভাপতি। কোটা সংস্কার আন্দোলনকে গণ-অভ্যুত্থানে রূপ দিতে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করেন। প্রথম সারির সমন্বয়কদের আটক করে সরকার আন্দোলন দমাতে চাইলে তিনি দ্বিতীয় সারির সমন্বয়কদের ‘সেফ হোমে’ রাখার ব্যবস্থা করেন। এমনকি অন্তর্বর্তী সরকার গঠনেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন এ ছাত্রনেতা। এতে শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন এ শিবির নেতা।
এস এম ফরহাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী। অ্যাকাডেমিক জীবনে বিতার্কিক হিসেবে জনপ্রিয় ছিলেন। জুলাই অভ্যুত্থানে সমন্বয়কদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা, আব্দুল কাদের সঙ্গে মিলে ৯ দফা প্রণয়ন এবং গণমাধ্যমে তা প্রচারের ব্যবস্থা করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। বর্তমানে শিক্ষার্থীদের যেকোনো সমস্যায় এগিয়ে এসে তিনি বেশ সুনাম কুড়াচ্ছেন।
উমামা ফাতেমা প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী। ‘বৈধ সিট আমার অধিকার’ প্ল্যাটফর্মের প্রতিষ্ঠাতা ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র। ছাত্র ফেডারেশনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচনে কবি সুফিয়া কামাল হলের পাঠকক্ষ সম্পাদক হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
ছাত্রলীগের গড়ে তোলা গণরুম-গেস্টরুমের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলতে প্রতিষ্ঠা করেন ‘বৈধ সিট আমার অধিকার’ প্লাটফর্ম। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও মুখপাত্রের দায়িত্বও পালন করেছেন। জুলাই অভ্যুত্থানে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে পালন করেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। ম্যাডেলিন অলব্রাইট অ্যাওয়ার্ড প্রত্যাখ্যান করে আন্তর্জাতিকভাবে আলোচিত তিনি।
এ বি জোবায়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সহ-সমন্বয়ক ছিলেন। রাজনৈতিক সংগঠনে যুক্ত না হলেও শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে সোচ্চার তিনি। ভারতীয় আধিপত্যের বিরুদ্ধে যেকোনো কার্যক্রম এবং আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনসহ শিক্ষার্থীদের সকল যৌক্তিক আন্দোলনে তিনি বেশ সক্রিয়।
মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ বাংলা বিভাগের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী। ট্রান্সজেন্ডার কোটা বাতিলসহ বিভিন্ন আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। গেস্টরুম-গণরুম বিরোধিতায় ছাত্রলীগের সাইবার হামলার শিকার হন। তিনিও ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনসহ শিক্ষার্থীদের সকল যৌক্তিক আন্দোলনে তিনি সক্রিয় থাকায় তিনি বেশ জনপ্রিয়।
লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৪-১৫ সেশনের শিক্ষার্থী বিন ইয়ামিন মোল্লা কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম নেতা। ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি। সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচনে এএফ রহমান হল ছাত্র সংসদের ভিপি পদে নির্বাচন করেন। ২০২১ সালে ভারতীয় আগ্রাসন বিরোধীসহ বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দেওয়ায় আটবার হামলার শিকার হন ইয়ামিন। ১২ মামলায় অভিযুক্ত ও ৪ বার কারাবরণ করেছেন। বর্তমানে তিনি পিএসসি সংস্কারের আন্দোলনে সক্রিয় আছেন।
জামালুদ্দীন মুহাম্মাদ খালিদ আরবি বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী। ‘শিক্ষণ’ ও ‘আস্ সুফফাহ ইসলামিক ইনস্টিটিউট’-এর প্রতিষ্ঠাতা। স্বাধীন বাংলাদেশ ছাত্র সংসদ গঠনসহ নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। ২০১৯ সালে প্রথম বর্ষে অধ্যয়নকালে ডাকসু নির্বাচনে অংশ নেন। টিএসসিতে নারীদের নামাজের ব্যবস্থায় ভূমিকা পালনসহ শিক্ষার্থীবান্ধব কাজে তিনি সক্রিয়। বর্তমানে সম্মিলিত ডাকসু আন্দোলন’-এর ব্যানারে সোচ্চার আছেন।
ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল খায়রুল আহসান মারজান এবং ঢাবি সভাপতি সাইফ মুহাম্মদ আলাউদ্দিন ক্যাম্পাসে ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিতে সোচ্চার রয়েছেন।
ঢাবির পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচন একটি পক্ষের আধিপত্যে পরিচালিত হয়েছিল। এবার যদি সব পক্ষের সহাবস্থান নিশ্চিত করা যায়, তাহলে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সায়মা হক বিদিশা বলেন, শিক্ষার্থীদের এমন আগ্রহ এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে গিয়ে যোগ্যতা মূল্যায়ন করার প্রবণতা আমাদের আশান্বিত করে। আমরা চেষ্টা করব একটি অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের।