ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনাকে একটি রক্তস্নাত আন্দোলনের মাধ্যমে ক্ষমতা থেকে সরানো হয়েছে—এবার প্রয়োজন হলে তরুণদের সঙ্গে নিয়ে আবারও গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নামতে হবে—এমন মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু।
আজ বুধবার দুপুরে নয়াপল্টনে মহানগর বিএনপি কার্যালয়ের ভাসানী মিলনায়তনে ঢাকা বিভাগীয় ‘তারুণ্যের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সমাবেশ’ উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
রফিকুল আলম মজনু বলেন, দেশের মূল চালিকাশক্তি তরুণরাই। অথচ সেই তরুণদের রাজনৈতিক অধিকার হরণ করে সমাজ ও রাষ্ট্রকে এগিয়ে নেওয়া কখনও সম্ভব নয়। আজ যে তরুণের বয়স ৩০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে, জন্মের পর থেকে আজ অবধি সে তার মৌলিক রাজনৈতিক অধিকার—ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। এমনকি সে জানেই না, ভোট কী, কিংবা ভোট কিভাবে দিতে হয়। অথচ এটাই তার প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অধিকার।
তিনি আরও বলেন, তরুণদের এই রাজনৈতিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব। যদি রাষ্ট্র তা ফিরিয়ে দিতে ব্যর্থ হয়, তবে আমরা নিজেরাই আন্দোলনের মাধ্যমে এই অধিকার প্রতিষ্ঠা করব।
প্রধান বক্তা তানভীর আহমেদ রবিন বলেন, ‘আমরা জনগণের ভোটাধিকার ও রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যেকোনো মূল্যে আমরা জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দেব।’
রবিন আরও বলেন, ‘আজ একটি বিশেষ গোষ্ঠী চরের মতো সরকারি প্রতিষ্ঠান দখল করে লুটপাটে ব্যস্ত। এই লুটপাটের সাম্রাজ্যকে টিকিয়ে রাখতেই তারা নির্বাচন দিতে চায় না।’
প্রস্তুতি সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয়তাবাদী যুবদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক খন্দকার এনামুল হক এনাম এবং সঞ্চালনায় ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দল দক্ষিণের সভাপতি জহির উদ্দিন তুহিন।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক লিটন মাহমুদ, আ.ন.ম. সাইফুল ইসলাম, সাইদুর রহমান মিন্টু ও ফরহাদ হোসেন; যুবদল দক্ষিণের সদস্যসচিব রবিউল ইসলাম নয়ন; স্বেচ্ছাসেবক দল দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক সাদ মোর্শেদ পাপ্পা সিকদার; শ্রমিক দলের সদস্যসচিব বদরুল আলম সবুজ; মহিলাদলের সভাপতি রুমা আক্তার ও সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর নার্গিস; ছাত্রদল পূর্বের সভাপতি সোহাগ ভূঁইয়া ও সাধারণ সম্পাদক হান্নান মজুমদার এবং ছাত্রদল দক্ষিণের সভাপতি শামিম মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক রহিম ভূঁইয়াসহ আরও অনেকে।