২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলি আক্রমণ শুরুর পর থেকে নিহতের সংখ্যা ৫৩ হাজারেরও বেশি ছাড়িয়ে গেছে। সর্বশেষ শুক্রবার (১৬ মে) গাজার সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি জানিয়েছে, রাতভর ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছে, আগের দিন ১৪৩ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়, এর প্রতিক্রিয়ায় ‘বর্বর হামলার’ জন্য ইসরায়েলকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে গাজার সশস্র প্রতিরোধ গোষ্ঠী হামাস। হামলার বিষয়ে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী কোনো মন্তব্য করেনি।
এই সপ্তাহের শুরুতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হামাসকে ধ্বংস করার লক্ষ্যে তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছিলেন। গত সপ্তাহে নেতানিয়াহু এক ঘোষণায় বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য সফর শেষ হওয়ার আগেই হামাস অবশিষ্ট বন্দিদের মুক্তি দিতে কোনো চুক্তিতে সম্মত হতে ব্যর্থ হলে সামরিক অভিযান জোরদার করা হবে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ছিটমহলে ইসরায়েলি হামলায় ৮২ জন নিহত ও ১৫২ জন আহত হয়েছেন, এ নিয়ে ইসরায়েলি হামলায় আহত হয়েছেন ১ লাখ ১৯ হাজার ৯৯৮ জন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এখনও অনেক হতাহত ধ্বংসস্তূপের নিচে ও রাস্তায় আটকা পড়ে আছেন কারণ উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না।
গাজায় ইসরায়েলের হামলায় অন্তত ৫৩ হাজার ১০ ফিলিস্তিনি নিহত ও ১ লাখ ১৯ হাজার ৯১৯ জন আহত হয়েছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের আক্রমণের পর এই যুদ্ধে প্রায় ১,২০০ ইসরায়েলি নিহত এবং প্রায় ২৫০ জনকে বন্দী করা হয়।