নাইম-বিজয়ের আক্ষেপের পর মিরপুরের বৃষ্টির দাপট

নাঈম শেখ সেঞ্চুরির খুব কাছে চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু স্পর্শ করতে পারেননি। আর এনামুল হক যেন চল্লিশের গেরোতে বন্দি। ফিফটিটা করতেই পারেন না। তবুও দুজনের জুটিতে বাংলাদেশ এ দল আজ শুরুটা পেয়েছিল দারুণ। তাদের পর সাইফ হাসানও ফিফটি করেই ফিরেছেন। তারপরই মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম এলাকায় শুরু হয় বৃষ্টির দাপট। তাতে খেলা আর শুরুই করা যায়নি।

মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় চারদিনের ম্যাচের প্রথম দিন যেন আক্ষেপ আর বৃষ্টির মিশেল। নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দলের বিপক্ষে সীমিত ওভারের মধ্যেই বাংলাদেশ ‘এ’ দল গড়েছে দৃঢ় ভিত। ৪ উইকেটে তুলেছে ২২৫ রান।

টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম সেশনেই নিউজিল্যান্ডের বোলারদের উপর চড়াও হন দুই ওপেনার নাইম ও বিজয়। উদ্বোধনী জুটিতে তারা যোগ করেন ১৩০ রান। দারুণ ছন্দে থাকা নাইম মাত্র ৯৪ বলে ৮২ রানের ঝলমলে ইনিংস খেললেও ব্যক্তিগত সেঞ্চুরির দোরগোড়ায় এসে থেমে যান। ডিন ফক্সক্রফটের দারুণ এক ক্যাচে থেমে যায় তার স্বপ্নের ইনিংস।

অন্যদিকে, বিজয় যখন নিজের হাফসেঞ্চুরির দিকে এগোচ্ছিলেন, তখন মাত্র ২ রানের জন্য সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেননি। ৪৮ রানে জ্যাক ফক্সের বলে উইকেটরক্ষক মিচ হেইকের হাতে ধরা পড়েন তিনি।

ওপেনারদের বিদায়ের পর ব্যাটিংয়ে আসেন জাকির হাসান ও সাইফ হাসান। তবে বড় ইনিংস খেলতে পারেননি জাকির—৩৩ বলে করেন মাত্র ১৮ রান। রাইস মারুর হাতে ধরা পড়ে তার ইনিংসের ইতি ঘটে। তবে সাইফ রাখেন দৃঢ়তা, তুলে নেন ব্যক্তিগত হাফসেঞ্চুরি (৫১)। শেষ পর্যন্ত তিনিও ফিরে যান ফক্সের শিকারে।

এরপর উইকেটে ছিলেন অমিত হাসান (১৬*) ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন (১*)। কিন্তু বিকেলের শুরুতেই বৃষ্টি নামে মিরপুরে। আর সেই বৃষ্টি আর না থামায় নির্ধারিত সময়ের আগেই দিনের খেলা বন্ধ করে দেন আম্পায়াররা।

দিবস শেষে বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে রান জমা পড়ে ৫৭.৩ ওভারে ৪ উইকেটে ২২৫। ব্যাটারদের ধারাবাহিকতায় সন্তুষ্টি থাকলেও, সেঞ্চুরি হাতছাড়া হওয়া দুই ওপেনারের আক্ষেপ যেন দিনশেষে প্রকৃতির চোখেও জল এনে দেয়।