বৈরি আবহাওয়া ও গতকাল থেকে টানা বৃষ্টিতে হাতিয়ার নিঝুম দ্বীপসহ নতুন করে জেগে ওঠা চরগুলো প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া সাগর উত্তাল থাকায় হাতিয়ার সঙ্গে সারাদেশের নৌ যোগাযোগ সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। আবহাওয়া অধিদপ্তর এর পক্ষ থেকে তিন নম্বর সতর্কতা সংকেত জারি করা হয়েছে।
হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন জানান, উপকূলীয় এলাকায় ৩ নম্বর সর্তক সংকেত জারির পাশাপাশি দ্বীপবাসীর নিরাপত্তা রক্ষায় রেডক্রিসেন্টসহ উদ্ধার কর্মীদের সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। এছাড়া হাতিয়া উপজেলায় ১১৭টি সাইক্লোন সেন্টার ও ২৪৬টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা রাখা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নতুন করে জেগে উঠা চরগুলোসহ হাতিয়ায় ত্রিশটি চর রয়েছে। এসব এলাকায় প্রায় সাত লাখ লোকের বসবাস। সমুদ্রের নিম্নচাপ ও গত বুধবার থেমে থেমে টানা বৃষ্টিতে পর্যটন এলাকা নিঝুম দ্বীপে ইতোমধ্যে ৫ ফিট উচ্চতায় পানি বেড়ে ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। নৌ চলাচল বন্ধ রাখায় বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে হাতিয়াবাসী। ঘূর্ণিঝড় প্রবল আকার ধারণ করলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছে তারা।
নোয়াখালী জেলা প্রশাসক খন্দকার ইসতিয়াক আহমদ জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় ও জানমালের নিরাপত্তা রক্ষায় উপজেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড, রেড ক্রিসেন্টসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।