চতুর্থ দিনেও চক্ষু হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা বন্ধ, ভোগান্তি চরমে

ঢাকার জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চতুর্থ দিনেও অচলাবস্থা কাটেনি। চিকিৎসক ও কর্মচারীদের সঙ্গে সম্প্রতি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতের মারামারি ও সংঘর্ষের ঘটনার প্রেক্ষিতে গত বুধবার থেকেই বন্ধ রয়েছে চিকিৎসাসেবা। এতে করে প্রতিদিনই চিকিৎসা নিতে আসা শত শত রোগীকে ফিরে যেতে হচ্ছে।

আজ শনিবারও হাসপাতালটিতে কোনো চিকিৎসাসেবা চালু করা যায়নি। রোগী ও তাদের স্বজনরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

রোগীরা বলেন, সরকারি হাসপাতালে কয়েকদিন ধরে সেবা বন্ধ, সরকার কেন উদ্যোগ নিচ্ছে না। সাধারণ জনগণ চিকিৎসাসেবা কোথা থেকে নেবে। অর্থের সংকট থাকায় বেসরকারি হাসপাতালেও সেবা নিতে পারছি না।

এদিকে অচলাবস্থা কাটাতে শুক্রবার (৩০ মে) হাসপাতালের সচিব, হাসপাতাল প্রতিনিধি, ছাত্র প্রতিনিধিদের বৈঠক হলেও সিদ্ধান্তে আসতে পারেননি তারা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সেবা কার্যক্রম পুরোপুরি স্থগিত রয়েছে। কর্মচারীরা নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ করছেন। তাদের ভাষ্য, হাসপাতালের ভেতর ভাঙচুর ও হামলার ঘটনা ঘটেছে কয়েকবার। এতে আতঙ্কে রয়েছেন চিকিৎসক ও স্টাফরা।

হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. জানে আলম গণমাধ্যম জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য তারা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত চিকিৎসক ও কর্মীরা কাজে ফিরতে অনিচ্ছুক।