এক সপ্তাহের হাটে কেসিসির রাজস্ব আয় ২ কোটির বেশি 

খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) পরিচালিত জোড়াগেট কোরবানি পশুর হাটে ৭ দিনে ৬ হাজার ৬৫১টি পশু বিক্রি হয়েছে। সেখান থেকে হাসিল হিসেবে দুই কোটি সাত লাখ ৯ হাজার ৬০২ টাকা রাজস্ব আয় করেছে সংস্থাটি।

এ পশুর হাট শেষ হয়েছে আজ শনিবার ভোর সাড়ে ৪টায়। ১ জুন থেকে আজ শনিবার ভোর পর্যন্ত এই পশুর হাটে ৬ হাজার ৬৫১টি কোরবানির পশুর মধ্যে ৪ হাজার ৩৮৩টি গরু, ২ হাজার ১৬২টি ছাগল, ১০৩টি ভেড়া এবং ৩টি মহিষ বিক্রি হয়। তবে এ বছর ৪০১টি গরু বেশি বিক্রি হয়েছে। কিন্তু পশু বিক্রির হাসিল ১ শতাংশ কমিয়ে ৪ শতাংশ করায় হাসিল আদায় কমেছে।

গতবছর অর্থ্যাৎ ২০২৪ সালে জোড়াগেট হাটে ৬ হাজার ২৬৮টি কোরবানির পশু বিক্রি হয়। এর মধ্যে ৩ হাজার ৯৮২টি গরু, ২ হাজার ১৬২টি ছাগল, ১২২টি ভেড়া এবং দুটি মহিষ। এ থেকে কেসিসির রাজস্ব আদায় হয় ২ কোটি ২৫ লাখ ৭৮ হাজার ৫২৭ টাকা।

কেসিসির হাট পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ও এস্টেট গাজী সালাউদ্দিন ও কেসিসির কোরবানির পশুর হাটের সুপারভাইজার প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, হাটে বেচাকেনা শেষ দুই দিনেই বাড়ে। কিন্তু এ বছর শেষ দুই দিনই আবহাওয়া ভালো ছিল না। ফলে কোরবানির পশু বেচাকেনায় সমস্যা হয়। তারপরও গত বছরের চেয়ে পশু বিক্রি বেড়েছে। কিন্তু হাসিল এক শতাংশ কমিয়ে দেওয়ার কারণে হাটে আয় গত বছরের তুলনায় কমেছে। কিন্তু প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ১ জুন জোড়াগেট পশুর হাট উদ্বোধন করেন কেসিসির প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার মো. ফিরোজ সরকার।