নিজের মেয়ে আরফানা হোসেন নির্জনা (১৬) হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন বাবা আলিম হোসেন ওরফে আকাশ (৪০)।
রবিবার (১৯ জুলাই) খুলনার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-১ এর বিচারক মো. আসাদুর জামান তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ প্রদান করা হয়।
১০ দিন পলাতক থাকার পর গত শনিবার বেলা পৌনে তিনটার দিকে খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার বাজার এলাকার একটি চায়ের দোকান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব ও খুলনা সদর থানা পুলিশ। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদে জন্য খুলনা সদর থানায় নেওয়া হয়।
খুললা মেট্রোপলিটন পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, যৌথ অভিযানে আকাশকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুরু থেকেই তাকে ধরার জন্য অভিযান চলছিল, কিন্তু বার বার অবস্থান বদল করায় তাকে ধরা যাচ্ছিল না। সে আদালতের জবানবন্দিতে মেয়ে হত্যার দায় স্বীকার করেছে।
এর আগে গত ১০ জুলাই নির্জনার মা আরিফা ইয়াসমিন সীমা মেয়ে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
এ বিষয়ে গত ১১ জুলাই কেএমপি সদর দপ্তরে খুলনার পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান সংবাদ সম্মেলনে বলেন, নির্জনার মা আরিফা ইয়াসমিন ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তার ভিত্তিতে পলাতক বাবাকে গ্রেপ্তার করার অভিধান শুরু হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত নির্জনা খুলনার বসুপাড়া বাঁশতলা এলাকার বাসিন্দা, সে নগরীর সরকারি ইকবাল নগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। সে মা-বাবার একমাত্র সন্তান ছিল। গত ৮ জুলাই সন্ধ্যায় মেয়ের বিয়েকে কেন্দ্র করে মা ও বাবার সাথে ঝগড়ার একপর্যায়ে পিতার কাঠের ফালির আঘাতে তার মৃত্যু হয়।
হত্যার প্রমাণ গোপনের উদ্দেশ্যে বাবা ঐদিন রাত ৯টায় মরদেহটি প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে মোটরসাইকেল করে খুলনা সদর থানার প্রান্তিকা আবাসিক এলাকার ৩ নম্বর সড়কের সাত তলা বাড়ির পাশে ফেলে রেখে আসেন। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করলে এই তথ্য বের হয়ে আসে।
৫৬০ ইঞ্চির মেগা স্ক্রিনে বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখার আয়োজন বসুন্ধরা গ্রুপের