প্রথম ফিরতি ফ্লাইটে দেশে ফিরলেন ৩৬৯ হাজি

পবিত্র হজ সম্পন্ন করে সৌদি আরব থেকে প্রথম ফিরতি ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন ৩৬৯ জন হাজি। আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৫৪ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট ‘এসভি-৩৮০৩’ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

ফ্লাইট অবতরণের সময় বিমানবন্দরের বোর্ডিং ব্রিজে হাজিদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মঞ্জুর কবীর ভূঁইয়া। এ সময় উপস্থিত ছিলেন হজ ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত বিভিন্ন সংস্থা ও প্রশাসনের প্রতিনিধিরাও।

বেবিচক সূত্রে জানা গেছে, আজ আরও সাতটি ফিরতি ফ্লাইটে আড়াই হাজারের বেশি হজযাত্রী দেশে ফিরবেন। ফিরতি হজ ফ্লাইট চলবে আগামী ১১ জুলাই পর্যন্ত।

চলতি বছর হজ পালনের জন্য বাংলাদেশ থেকে মোট ৮৫ হাজার ৩০২ জন ধর্মপ্রাণ মুসল্লি সৌদি আরবে গেছেন। প্রথম হজ ফ্লাইট ঢাকা থেকে রওনা দেয় ২৯ এপ্রিল। এরপর এক মাসের বেশি সময় ধরে মোট ২২০টি হজ ফ্লাইট পরিচালিত হয়। সর্বশেষ ফ্লাইটটি যায় ১ জুন। এসব ফ্লাইট পরিচালনায় অংশ নেয় তিনটি এয়ারলাইনস—বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, সৌদি এয়ারলাইনস ও ফ্লাইনাস। ফিরতি যাত্রার ক্ষেত্রেও প্রতিটি এয়ারলাইনস প্রতিদিন নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ফ্লাইট পরিচালনা করবে।

ফিরতি হজযাত্রীদের জন্য বিমানবন্দরে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্যবর্ধক ব্যবস্থা। বেবিচক জানিয়েছে, হজযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এভসেক দায়িত্ব পালন করছে। ফ্লাইট পৌঁছানোর পর আনসার সদস্যরা হাজিদের স্বাগত জানিয়ে তাদের সঠিক পথে গাইড করবেন। ইমিগ্রেশন পুলিশ ও স্পেশাল ব্রাঞ্চের তত্ত্বাবধানে নির্ধারিত বিশেষ কাউন্টারে সম্পন্ন হবে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম, যাতে দ্রুত সেবা নিশ্চিত হয় এবং ভিড় এড়ানো যায়।

হজযাত্রীদের লাগেজ সংগ্রহের জন্য বিমানবন্দরের বেল্ট নম্বর ৫, ৬, ৭ ও ৮ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আনসার সদস্যরা লাগেজ সংগ্রহে সহযোগিতা করবেন। লাগেজ সংগ্রহ শেষে হাজিরা গ্রিন চ্যানেল-২ দিয়ে কাস্টমস অতিক্রম করবেন। এরপর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের তত্ত্বাবধানে জমজমের পানি গ্রহণ করে ক্যানোপি-২ দিয়ে বিমানবন্দর ত্যাগ করবেন।

এছাড়া, এপিবিএনের ব্যবস্থাপনায় হাজিদের জন্য নির্ধারিত ড্রাইভওয়ে ব্যবহার করে যানবাহন চলাচলেরও বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।