হ্যাকারদের ভুয়া এসএমএস

সামান্য একটা এসএমএস পাঠিয়ে ফোন ব্যবহারকারীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে হ্যাকারদের দল টাকা নিয়ে নিচ্ছে। কোন এসএমএস সঠিক আর কোনটা ভুয়া, চেনার কিছু সহজ উপায় রয়েছে।

মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠিয়ে অ্যাকাউন্টের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে অহরহ। সাইবার অপরাধীদের এহেন পাতা ফাঁদে পা দিচ্ছেন বহু মানুষ। একটু সতর্ক হলেই কিন্তু এই বিপদ থেকে বাঁচতে পারেন। তবে তার জন্য ফোন ব্যবহারকারীদের জানতে হবে এসএমএসের বিশেষ কোড। তা হলেই আসল এবং নকল এসএমএসের মধ্যে পার্থক্য করা যাবে, বলছেন গ্যাজেট বিশেষজ্ঞরা।

হ্যাকারদের পাঠানো এসএমএস চেনার সহজ উপায় হলো, এর শেষের অক্ষরটির দিকে নজর। যদি কোনো এসএমএসের একেবারে শেষে ‘এস’ অক্ষরটি লেখা থাকে, তা হলে বুঝতে হবে পরিষেবা (সার্ভিস) সংক্রান্ত বার্তা দিতে সেটি পাঠানো হয়েছে। একই ভাবে ‘পি’ অক্ষর লেখা থাকলে সেটি হলো বিজ্ঞাপনভিত্তিক বা প্রোমোশনাল এসএমএস।

আবার কিছু এসএমএসের একেবারে শেষে লেখা থাকে ‘জি’ অক্ষরটি। সরকারের থেকে পাঠানো হয় ওই সমস্ত এসএমএস। কিন্তু যদি কোনো এসএমএসের পর কিছুই লেখা না থাকে, তা হলেও সেটি হ্যাকারদের পাঠানো হতে পারে। ওই ধরনের বার্তায় ঢুকে কোনো লিঙ্কে ক্লিক না করার পরামর্শ দিয়েছেন গ্যাজেট বিশেষজ্ঞরা।

প্রযুক্তি বিশারদরা বলছেন, সাইবার অপরাধীরা সাধারণত সরকারি এসএমএসের আদলে গ্রাহকদের মোবাইলে বার্তা পাঠিয়ে থাকে। ফলে ভুল করে সেগুলোর ভেতরে ঢুকে ক্লিক করে দেন অধিকাংশ ফোন ব্যবহারকারী। আর সঙ্গে সঙ্গে তার যাবতীয় তথ্য হাতিয়ে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফাঁকা করার সুযোগ চলে যায় হ্যাকারদের হাতে।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এসএমএসের পর এই ধরনের এস, পি বা জি আদ্যক্ষর কখনই লিখতে পারবেন না কোনো সাইবার অপরাধী। কারণ, এগুলো লিখতে হলে টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটির অনুমোদন নিতে হয়। আর তাই এসএমএস দেখার ব্যাপারে একটু সচেতন থাকা উচিত।