ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন বিতর্কে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে শোকজ

দেশব্যাপী পরিচালিত ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনে অবহেলা এবং কর্মস্থলে অননুমোদিত অনুপস্থিতির অভিযোগে নোয়াখালী সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাঈমা নুসরাত জাবীনের বিরুদ্ধে কৈফিয়ত তলব করেছে নোয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) নোয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার মরিয়ম সিমি স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য নিশ্চিত হয়।

চিঠিতে উল্লেখিত উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনিত  অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে কার্যালয়ে অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত না হওয়া, ক্যাম্পেইনের ব্যয়িত অর্থ পরিশোধ না করার ফলে সরকারের তিন লক্ষ পঁচিশ হাজার আটশত টাকা ফেরৎ যাওয়া।

জানা গেছে, নোয়াখালী পৌরসভা ও সদর উপজেলায় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার অবহেলার কারণে এর ব্যয়িত অর্থ পরিশোধ করা হয়নি। এর ফলে সরকার কর্তৃক বরাদ্দকৃত বিশাল অঙ্কের টাকা অব্যবহৃত অবস্থায় ফেরৎ গেছে, যা সরকারি কার্যক্রমে চরম অবহেলা বলে বিবেচিত হয়েছে।

এ ছাড়াও, অভিযোগ উঠেছে যে ওই কর্মকর্তা প্রায়শই কর্মস্থলে অননুমোদিতভাবে অনুপস্থিত থাকেন এবং নির্দিষ্ট সময়ের আগেই অফিস ত্যাগ করেন। ডা. নাঈমা নুসরাত জাবীনের এসকল কর্মকাণ্ডে নোয়াখালী জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

নোয়াখালী জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এই ঘটনাকে সরকারি কাজে অবহেলা এবং সরকারি চাকুরী বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ওই কর্মকর্তাকে কৈফিয়ত তলব করে একটি চিঠি জারি করা হয়েছে। চিঠিতে তাকে এই আদেশ জারির ০৩ (তিন) কার্যদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে সন্তোষজনক জবাব জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তা না হলে তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাঈমা নুসরাত জাবীন বলেন, ‘আমার অফিস আমাকে যেকোন বিষয়ে শোকজ করতেই পারে। আমি এ বিষয়ে চিঠির লিখিত জবাব দিয়েছি।’