এজবাস্টনে চলছে ভারত-ইংল্যান্ড সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট। গতকাল বুধবার ম্যাচটি শুরু হওয়ার পর থেকেই বাউন্ডারি দৈর্ঘ্য নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। অনেকেই দাবি করছেন, এজবাস্টনের বাউন্ডারি লাইন স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক ছোট। মেয়েদের ম্যাচে এমন ছোট বাউন্ডারি দেখা গেলেও পুরুষদের ম্যাচে প্রায় বিরল। সাবেক ইংলিশ ক্রিকেটার স্টিভেন ফিন দাবি করেছেন, বাজবল ঘরানার সুবিধা নিতেই নাকি ইংলিশরা এই কাজ করেছে।
আইসিসির নিয়মানুযায়ী উইকেট থেকে বাউন্ডারির দৈর্ঘ্য ৫৯ থেকে ৯০ মিটারের মধ্যে হতে হবে। এজবাস্টনে উইকেটের সোজাসুজি বাউন্ডারির দূরত্ব ৬০ মিটার রাখা হয়েছে। দীর্ঘতম দূরত্ব ৬৫ মিটার। বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, বাউন্ডারির দৈর্ঘ্যে স্বাভাবিকের চেয়ে ৫ থেকে ১০ মিটার কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। বলা হচ্ছে, ভারতের দুই স্পিনারকে অকেজো করে আগ্রাসী খেলতেই না কি ইংলিশরা এই নীতি নিয়েছে!
সাবেক পেসার স্টিভেন ফিন বিবিসিকে বলেছেন, ‘আমরা এজবাস্টনে দাঁড়িয়ে আছি। এখন আমি ঠিক বাউন্ডারির দড়ির সামনে। সাধারণ টেস্ট ম্যাচে যা দেখি, তার থেকে বাউন্ডারির দৈর্ঘ্য অনেকটাই কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। টসে জিতে বোলিং এবং চতুর্থ ইনিংসে রান তাড়া করার যে নীতি গ্রহণ করেছে ইংল্যান্ড, সেটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বাউন্ডারির দৈরঘ্য কমানো সহায়ক হতে পারে। হয়তো সে কারণেই বাউন্ডারি ছোট করা হয়েছে।’
চলতি টেস্টে রবীন্দ্র জাদেজা এবং ওয়াশিংটন সুন্দর, এই দুই স্পিনার নিয়ে খেলতে নেমেছে ভারত। যদিও ইংল্যান্ডের এই কৌশল নতুন কিছু নয়। ২০১৯ বিশ্বকাপে এক ম্যাচে বাউন্ডারি এতটাই ছোট ছিল যে, ভারত আপত্তি জানিয়েছিল। সেই ম্যাচে বেধড়ক মার খেয়েছিলেন ভারতের দুই স্পিনার কুলদীপ যাদব এবং যুজবেন্দ্র চাহাল। এছাড়া অতীতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অ্যাশেজ সিরিজেও ইংলিশদের এই কৌশল অবলম্বন করতে দেখা গেছে।