অধ্যাপক কামরুল হাসান মামুন

ঢাবিতে ৬টি মানসম্মত গবেষণা কেন্দ্রই যথেষ্ট

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) থাকা ৫৬টি গবেষণা কেন্দ্রকে সংস্কার করার প্রয়োজন। এগুলোতে বরাদ্দকৃত বাজেট ও সরঞ্জাম সর্বোচ্চ ছয়টি গবেষণা কেন্দ্র চালু রেখে তাতে ব্যয় করলে মানসম্মত গবেষণা ও গবেষক তৈরি হবে বলে জানিয়েছেন ঢাবির পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কামরুল হাসান মামুন।

বুধবার সন্ধ্যায় এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এ অভিমত ব্যক্ত করেন।

অধ্যাপক মামুন তার পোস্টে লিখেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উচিত ৫৬টি রিসার্চ সেন্টারের মধ্যে ৫০টিকেই বন্ধ করে খুব বেশি হলে ৬টি রাখা। ৫৬টিকে একটু একটু করে দিয়ে ৫৬টিকেই অপুষ্টিতে না ভুগিয়ে ৫৬টিকে যা দিতেন তা ছয়টিতে দিন। এই ছয়টি গবেষণা কেন্দ্রকে যথেষ্ট শিক্ষক, গবেষক, পোস্ট-ডক, পিএইচডি ছাত্র দিন।

তিনি আরও লিখেছেন, এমন বরাদ্দ দেওয়া উচিত যেন গবেষণার প্রয়োজনীয় সবকিছু যেন অনায়াসে ক্রয় করা যায়।

তিনি মানসম্মত অন্তত ছয়টি গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে জোর দিয়েছেন। উদাহরণ হিসেবে তিনি সেমিকন্ডাক্টর রিসার্চ সেন্টার, সত্যেন বোস সেন্টারগুলোকে অবহেলা করে রাখার বিষয়টির কথা উল্লেখ করেছেন। এগুলোকে বিশ্বমানের গবেষণা কেন্দ্রে পরিণত করার দাবি জানান তিনি।

অধ্যাপক মামুন আর বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জার্নাল প্রকাশনা বন্ধ করুন। এতে অনেক টাকা এবং অনেক কাগজ বাঁচবে। এই জার্নালগুলো নিম্নমানের আর্টিকেল প্রকাশ করে শিক্ষকদের প্রমোশন মেশিনে পরিণত করেছেন। এইগুলো বন্ধ করলে ভালো গবেষণা করে বিশ্বমানের জার্নালে চাপ তৈরী হতো। এই চাপে অন্তত ১২টি ভালো গবেষণা পত্র হতো।

এছাড়াও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কর্মরত দেশি গেস্ট টিচার ও বিদেশি শিক্ষকদেরকে অন্তত এক সেমিস্টারের জন্য হলেও ঢাবিতে নিয়ে আসার দাবি জানান অধ্যাপক মামুন।

এর জন্য উন্নত মানের গেস্ট হউস প্রতিষ্ঠার পরামর্শও দেন তিনি। এমনটি বাস্তবায়ন করা গেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মান বৃদ্ধি পেত বলে মনে করেন অধ্যাপক মামুন।