শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে দিয়ে সিরিজে ফিরলো বাংলাদেশ

সিরিজে টিকে থাকতে জয়ের বিকল্প ছিলা না বাংলাদেশের সামনে। আজ রবিবার ডাম্বুলায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টস হেরে আগে ব্যাট করে লিটন দাসের ৭৬ রানে ভর করে বাংলাদেশ তোলে ৭ উইকেটে ১৭৭। এরপর পাওয়ার প্লে-এর মধ্যেই লঙ্কানদের ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেন লিটনরা। পরে আর চাপ কাটিয়ে উঠতে পারেনি শ্রীলঙ্কা।

লঙ্কানরা অলআউট হয়েছে ৯৪ রানে। ৮৩ রানের জয়ে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে বাংলাদেশ।

রান তাড়া করতে নেমে দলীয় ১৯ রানে প্রথম উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। কুশাল মেন্ডিস (৮) ফেরেন রান আউটে। পরের ওভারেই কুশাল পেরেরাকে আউট করেন শরিফুল। শরিফুল নিজের তৃতীয় ওভারেও নেন উইকেট। আউট করেন আভিষ্কা ফার্নান্দোকে। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে লঙ্কান অধিনায়ক চারিথ আসালঙ্কাকে সাইফউদ্দিন ফেরালে পাওয়ার প্লের আগেই ৪ উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা।

১০ ওভারে শ্রীলঙ্কা তোলে ৪ উইকেটে ৬৭ রান। পাথুম নিশাঙ্কা ও দাসুন শানাকা আশা দেখাচ্ছিলেন স্বাগতিকরদের। সেই জুটি ভাঙেন রিশাদ। এক ওভারেই দুই উইকেট নেন। ২৯ বলে ৩২ রান করা নিশাঙ্কা রিশাদের বলে এগিয়ে এসে খেলতে গিয়ে স্টাম্পিং হন। এক বল পর চামিকা করুণারত্নে রিশাদের বলে ক্যাচ তুলে দেন তাঁর হাতেই। পরের ওভারে এসে উইকেট পান মিরাজও। শানাকা আউট হন ব্যক্তিগত ২০ রানে। দলের স্কোর তখন ৭৩। শেষ পর্যন্ত ১৫.২ ওভারে ৯৪ রানে অলআউট হয় শ্রীলঙ্কা।

লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন ১৮ রানে নেন ৩ উইকেট। এছাড়া শরিফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন নেন দুটি করে উইকেট।

তার আগে বাংলাদেশ লড়াইয়ের পুঁজি পায় লিটন দাস, তাওহীদ হৃদয় ও শামীম পাটোয়ারীর ইনিংসে ভর করে। লিটন টি-টোয়েন্টিতে ১৩ পর পান ফিফটির দেখা। ৫ ছক্কা ও ১ চারে ৫০ বলে ৭৬ রান করেন লিটন। হৃদয় করেন ৩১ রান। শামীম ৫ চার ও ২ ছক্কায় ২৭ বলে ৪৮ রানের ইনিংস খেলেন।