আবারও জোড়া গোল মেসির

এমএলএসের আগের ম্যাচেই রেকর্ড গড়েছিলেন লিওনেল মেসি। এবার সেই রেকর্ড আরও এগিয়ে নিলেন ৮ বারের ব্যালন ডি’অর জয়ী। আগের চার ম্যাচের ধারাবাহিকতায় আবারও জোড়া গোল করেছেন মেসি। এবার জোড়া গোল করেছেন ন্যাশভিলের বিপক্ষে। ম্যাচটি মায়ামি জিতেছে ২-১ গোলে।

এর আগে মেসি টানা জোড়া গোল করেছিলেন মন্ট্রিয়ল, কলম্বাস, আবার মন্ট্রিয়ল ও নিউ ইংল্যান্ড রেভল্যুশনের বিপক্ষে। টানা চার এমএলএসেই কারও জোড়া গোল ছিল না। মেসি নিজের রেকর্ডটাই আরও উচ্চতায় নিয়ে গেলেন। এদিন ফ্রি-কিক গোলেও কীর্তি আছে মেসির। নিজেদের মাঠ চেস স্টেডিয়ামে ম্যাচের ১৭ মিনিটে মেসি নিজেই ফাউলের শিকার হয়ে ফ্রি-কিক পেয়েছিলেন। মানবদেয়ালের মাঝ দিয়ে নিচু শটে বল জালে পাঠান আর্জেন্টাইন মহাতারকা। এই গোলের মাধ্যমে ফ্রি-কিকে নতুন উচ্চতায় উঠেছেন মেসি। ফি-কিক থেকে এখন চতুর্থ সর্বোচ্চ গোলের মালিক। ৬৯ ফ্রি-কিক গোল নিয়ে মেসি পেছনে ফেলেছেন ব্রাজিলের মার্কোস আসুনসিওকে (৬৮)। তার সামনে জুনিনিও (৭২), রবার্তো দিনামাইট (৭৫) ও মার্সেলিনো কারিওকা (৭৮)। মেসি দ্বিতীয় গোলটি ৬২ মিনিটে। এই গোলে অবশ্য প্রতিপক্ষ দলের গোলকিপারের ভূমিকা আছে। ন্যাশভিল গোলকিপার জো উইলিস এক সতীর্থের ব্যাক পাস থেকে বল পাওয়ার পর তালগোল পাকিয়ে বল দেন কাছেই দাঁড়িয়ে থাকা মেসির পায়ে। সহজেই জড়িয়েছেন জালে। এমএলএসে চলতি মৌসুমে ন্যাশভিলের স্যাম সারিজের সঙ্গে যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন মেসি (১৬ গোল)। বাংলাদেশ সময় রবিবার সকালে হওয়া ম্যাচে ন্যাশভিল একটি গোল শোধ করে ৪৯তম মিনিটে।

ম্যাচের পর মায়ামির কোচ হাভিয়ের মাশচেরানো বলেন, ‘সে (মেসি) অবিশ্বাস্যভাবে নিজের কাজ করে চলেছে। প্রতি তিন দিনে (একটা) রেকর্ড ভাঙছে। সে দলের নেতা এবং আমরা কতটা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ দল, সেটার মান সেই স্থাপন করেছে। ওর ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ের অংশ হতে পারা (আমার জন্য) সত্যিই আশীর্বাদ।’ অবশ্য টানা পাঁচ ম্যাচে জোড়া গোল করা মেসির জন্য নতুন নয়। ২০১২ সালের নভেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে লা লিগায় বার্সেলোনার হয়ে টানা ছয় ম্যাচে জোড়া গোল করেছিলেন।

লিগে টানা ছয় ম্যাচ অপরাজিত থাকা মায়ামি এখন ১৯ ম্যাচে ৩৮ পয়েন্ট নিয়ে ইস্টার্ন কনফারেন্সে ৫ নম্বরে। ৩ ম্যাচ বেশি খেলে ৪১ পয়েন্টে তিন নম্বরে ন্যাশভিল।