নেপালকে না বাংলাদেশের ভিয়েতনাম-কম্বোডিয়ায় চোখ

সেপ্টেম্বরে ফিফা উইন্ডোতে নেপালের বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলার কথা ছিল বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের। কিন্তু সেই পরিকল্পনায় এসেছে পরিবর্তন। কাঠমান্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে ৬ ও ৯ সেপ্টেম্বর ম্যাচ দুটি হওয়ার কথা থাকলেও তা বাতিল করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। নেপাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র দেশ রূপান্তরকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

নেপাল ম্যাচ বাতিলের কারণ? দক্ষিণ এশিয়ার গণ্ডি পেরিয়ে শক্তিশালী কোনো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে মাঠে নামতে চায় বাংলাদেশ। সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হিসেবে উঠে এসেছে ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ার নাম। বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে ভিয়েতনাম ১১৩ নম্বরে, আর কম্বোডিয়া ১৮০তম। নেপাল ১৭৬তম স্থানে। সুতরাং ভিয়েতনামের বিপক্ষে ম্যাচটি হলে প্রতিপক্ষ হবে নেপালের চেয়ে মর্যাদাপূর্ণ।

বাফুফের মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম বাবু এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘নেপালের সঙ্গে খেলার পাশাপাশি যদি আরও শক্তিশালী দলের সঙ্গে খেলা যায়, তাহলে সেটিই ভালো হবে। এরই মধ্যে একটি শক্তিশালী দল রাজি হয়েছে আমাদের সঙ্গে খেলতে।’ তিনি আরও জানিয়েছেন, আগামী তিন-চার দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত প্রতিপক্ষের নাম জানানো হবে। তবে এর আগে নেপাল ফুটবল সংস্থার (এএনএফএ) সঙ্গে আরেক দফা আলোচনায় বসবে বাফুফে।

বাংলাদেশ দলে হামজা চৌধুরী যোগ দেওয়ার পর থেকেই জাতীয় দলকে ঘিরে তৈরি হয়েছে বাড়তি আগ্রহ। বাফুফে এই আগ্রহকে কাজে লাগিয়ে চায় ফিফা উইন্ডোতে উচ্চ র‌্যাংকিংয়ের দলের সঙ্গে খেলার অভিজ্ঞতা নিতে। এজন্য ইউরোপের সাতটি দেশের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। এর মধ্যে শুধু লিথুয়ানিয়া ইতিবাচক সাড়া দিলেও সময়সূচি মেলেনি। এর আগে শ্রীলঙ্কার প্রস্তাবিত চার জাতির একটি টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ অংশ নিতে চেয়েছিল। কিন্তু সেই প্রস্তাব নাকচ করে দেয় নেপাল, পরে নিজেরাই বাংলাদেশকে প্রীতি ম্যাচের প্রস্তাব দেয়। তবে বাংলাদেশের লক্ষ্য সাফের বাইরের দলের বিপক্ষে খেলা।