আজ আফিদাদের প্রতিপক্ষ ভুটান

টানা দুই ম্যাচ জিতে সাফ ওমেন্স অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে রয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে ভুটানকে ৯-১ গোলে উড়িয়ে দেওয়ার পর দ্বিতীয় ম্যাচে তারা নেপালের বিপক্ষে পেয়েছিল ৩-২ গোলের নাটকীয় জয়। আজ বেলা ৩টায় বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় তাদের প্রতিপক্ষ ভুটান। এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে ডাবল লিগ পদ্ধতির আসরে প্রথম ধাপ শেষ হবে বাংলাদেশের।

ভুটান এর আগে দুই ম্যাচ খেলে হার ও জয়ের দুরকম স্বাদ পেয়েছে। প্রথম ম্যাচে তারা হেরে যায় নেপালের কাছে। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারায়। আজ হারলে শিরোপা লড়াই থেকে অনেকটাই ছিটকে যাবে ভুটান। তাই গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে ভুটান চাইবে স্বাগতিকদের মরণ কামড় দিতে।

পরপর দুই ম্যাচ জয়ে বাংলাদেশ আজ অন্যরকম আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামবে। যদিও এই ম্যাচে তারা মূল স্ট্রাইকার সাগরিকার সার্ভিস পাবে না। নেপালের বিপক্ষে ম্যাচে সরাসরি লালকার্ড দেখতে হয়েছিল সাগরিকাকে। তাই এই ম্যাচে তাকে থাকতে হবে দর্শক হয়ে। সাফের আসরে অতীতে বাংলাদেশের সামনে কখনই শক্ত প্রতিরোধ গড়তে পারেনি ভুটান। ২০২২ সালের সাফে ভুটানকে সেমিফাইনালে ৮-০ গোলে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। গত বছর সিনিয়র সাফে সেমিফাইনালেই বাংলাদেশ জিতেছিল ৪-২ গোলে। ২০২৩ সালে সাফের অনূর্ধ্ব-২০ আসরে দুদলের দেখা হয়েছিল। সেই ম্যাচে বাংলাদেশ জিতেছিল ৫-০ ব্যবধানে।

আগের দুই ম্যাচের মতো ভুটানের বিপক্ষেও জিতে এগিয়ে যেতে চান বাংলাদেশ অধিনায়ক আফিদা খন্দকার, ‘নেপালের বিপক্ষে আমরা শেষ মুহূর্তে জিতেছি। আল্লাহর রহমতে আমরা যা চেয়েছি, তাই পেয়েছি। ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে কথা বলেছেন কোচ পিটার বাটলার। উনার পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলব আমরা।’

এদিকে নেপালের বিপক্ষে যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে শ্রীমতি তৃষ্ণা রানীর গোলে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। অথচ ম্যাচটা স্বাগতিকরা জিততে পারত আরও সহজে। প্রথমার্ধেই তারা দুই গোলের লিড নিয়েছিল। তবে ৯ মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল হজম করে বসে বাংলাদেশ। এরপর শেষ বাঁশি বাজার আগ মুহূর্তে তৃষ্ণা গোল করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেন। সেই ম্যাচ শেষে শিষ্যদের তীব্র সমালোচনা করেছিলেন কোচ পিটার বাটলার। বলেছিলেন, ‘শেষ ৩০ মিনিট আমরা কদর্য ফুটবল খেলেছি। ভীষণ কদর্য। এটা সেই দল নয় যা আমি গড়ে তুলেছি। আমরা এমন একটা পর্যায়ে খেলছি যেখানে খেলোয়াড়ের উন্নতিই মুখ্য, জিততেই হবে এমন মানসিকতা নিয়ে খেলছি না। আমি বলেছিলাম খেলোয়াড়দের সুযোগ দেব। আমি আমার কথা রেখেছি। তবে শেষ ২০-৩০ মিনিটে কিছু খেলোয়াড়ের আচরণ একেবারেই ইতিবাচক ছিল না। সত্যি বলতে আমি একেবারে সন্তুষ্ট নই। আমার হার্ট অ্যাটাকের মতো অবস্থা হয়েছিল। আমরা অল্পের জন্য রেহাই পেয়েছি।’