খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) বিগত এক বছরে বিধিবহির্ভূত নিয়োগসহ বিভিন্ন মাধ্যমে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের জন্য বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
গত সোমবার কমিশনের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক (পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়) ড. মো. মাহিবুল আহসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটির আহ্বায়ক হলেন, মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য (প্রশাসন) বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মো. সাইদুর রহমান, সদস্য সচিব কমিশনের উপ-সচিব (লিগ্যাল) (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) প্রশাসন বিভাগ নুরনাহার বেগম শিউলী ও সদস্য কমিশনের সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাম।
এছাড়া কমিশনের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী পরিচালক সেহজাদ রিফাত সিয়ামকে তদন্ত কমিটিকে সচিবিক সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব প্রদান করা হয়। গঠিত কমিটিকে বর্ণিত বিষয়ে তদন্তপূর্বক আগামী এক মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বলা হয়েছে।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, তদন্তের স্বার্থে গঠিত কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট যেকোনো নথি ও আনুষঙ্গিক কাগজপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাসহ তার অনুলিপি সংগ্রহ করতে পারবে এবং কমিটি প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে।
এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার প্রকৌশলী মো. আনিচুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, ‘আমরা অফিসিয়ালভাবে তদন্ত কমিটির কোনো অনুলিপি পাইনি। খুব দ্রুতই আমরা উপাচার্য নিয়োগ পেতে যাচ্ছি। সেক্ষেত্রে উপাচার্যের নির্দেশক্রমে তদন্ত কমিটিকে সহায়তা করব। আর উপাচার্যের অনুপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী আমরা তাদেরকে তদন্তের ব্যাপারে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করব।’
এদিকে, উপর্যুক্ত বিষয় ও সূত্রোক্ত স্মারকের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ জামিনুর রহমানকে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ভাইস-চ্যান্সেলর নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মাসিক বেতন-ভাতাদি প্রদানের জন্য সাময়িক সময়ের জন্য আর্থিক ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।