রাজনৈতিক দলগুলোকে কর্মসূচি দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে শহরের দক্ষিণ তেমুহানীতে সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং ষড়যন্ত্র করে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিএনপি একটি দায়িত্বশীল ও ৪৬ বছরের অভিজ্ঞ রাজনৈতিক দল। দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রেও বিএনপির নেতাদের অভিজ্ঞতা রয়েছে। সে কারণে পরামর্শ দিতে চাই। বিগত আন্দোলন সংগ্রামে যে-সব রাজনৈতিক দল ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে এক হয়ে লড়েছি। মাঠে ময়দানের ছিলাম। জেল খেটেছি। অন্যায়-অত্যাচার নির্যাতনের শিকার হয়েছি। তাই প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল ও রাজনৈতিক ব্যক্তি যে কোনো কর্মসূচি দেওয়ার ব্যাপারে আরো সজাগ ও সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, গোপালগঞ্জে ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। ফ্যাসিস্টরা কীভাবে অস্ত্র নিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে। এটি কোনোভাবে কাম্য হতে পারে না। প্রশাসন অবিলম্বে গোপালগঞ্জের অপকর্মের সঙ্গে জড়িত যে সব সন্ত্রাসী রয়েছে, তাদের গ্রেপ্তার করার মধ্য দিয়ে দেশে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিবেশ তৈরি করতে পারে।
তিনি বলেন, আশঙ্কা করছি, সামনে আরও অনেক ষড়যন্ত্র রয়েছে। সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তারেক জিয়ার নেতৃত্বে সবাই ঐক্যবদ্ধ রয়েছে বলেও জানান তিনি।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি আরো বলেন, দেশব্যাপী চলমান অস্থিরতা এবং প্রশাসনের ব্যর্থতা প্রমাণ করে জনগণের নিরাপত্তা আজ হুমকির মুখে। তিনি দ্রুত একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার দাবি জানান।
এর আগে বিকেলে শহরের উত্তর তেমুহনী থেকে একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে দক্ষিণ তেমুহনী গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে নেতৃত্বে দেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আবুল খায়ের ভূইয়া ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাবুদ্দিন সাবু।