পৃথিবীর সবচেয়ে বোলিং বান্ধব উইকেট বা ব্যাটিংয়ের জন্য সবচেয়ে কঠিন উইকেটই শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের উইকেট, এরকম একটা কথা প্রচলিত আছে। এবার এ প্রসঙ্গে রসিকতা করে লিটন দাস বললেন, বোলার হলে মিরপুর তার ক্যারিয়ার আরও ওপরে নিয়ে যেত।
২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডকে সিরিজ হারায় বাংলাদেশ, দুই সিরিজের সবগুলো ম্যাচ ছিল মিরপুরে। তবে ঐ লো স্কোরিং সিরিজের পর অনেক ব্যাটারকে আর মারকুটে ব্যাটিংয়ে দেখা যায়নি।
লিটন একমত পোষণ করে মিরপুরে আজ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, 'অনেক ক্রিকেটারেরই ক্যারিয়ার ডাউন হয়ে গেছে ব্যাটার হিসেবে। আমি যদি বোলার হতাম, হয়তো আমার ক্যারিয়ারও বিল্ডআপ হতো ঐ উইকেটে খেললে (হাসি)। অবশ্যই দল হিসেবে বাংলাদেশ ডেভেলপ করেছে, সিরিজও জিতেছে। বিশাল প্লাস পয়েন্ট। তবে একই সময়ে ব্যাটারদের জন্য আবার খারাপ ছিল।'
লিটন আশা প্রকাশ করেন, পাকিস্তান সিরিজে ব্যাটিং-বোলিং দুইদিকের জন্যই ভালো উইকেট বানানো হয়েছে। বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক আরও বলেন, 'এই মুহূর্তে জিনিসটা খুবই চ্যালেঞ্জিং, যারা উইকেট বানাচ্ছে তাদের জন্য। আবহাওয়ার ওপর তো আমাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনি যদি দেখেন, গত ৩-৪ দিন ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছিল। যে মানুষটা পরিশ্রম করে আপনাকে উইকেট বানিয়ে দেবে, সেই মানুষটার হাতেও ঐ সময় ছিল না। এই মুহূর্তে আমাদের উইকেট নিয়ে ভাবার কিছু নেই। উইকেট পাকিস্তানের জন্য যা থাকবে, বাংলাদেশ দলের জন্যও একই থাকবে।'
'এখানে দুইটা ফ্যাক্ট। বিপিএলে একটা ইনিংসে শিশির বেশি থাকে। যখন শিশির পড়ে ব্যাটিং করা সহজ না। বিপিএলে আমার মনে হয় না প্রত্যেক দলে পাঁচজন কোয়ালিটি বোলার থাকে। যে কারণে ২-১ বোলারকে ইউটিলাইজ করলে রান বেড়ে যায়। জাতীয় দল ভিন্ন জায়গা, প্রত্যেক দলে ৫-৬ ভালো বোলার থাকে। আমার মনে হয় হাই স্কোরিং না হলেও খেলা জমবে। দুই দলই সমান থাকবে', বলেন লিটন দাস।