ক্লাব সতীর্থের যৌনদৃশ্য ছড়িয়ে কারাদণ্ডের মুখে রিয়ালের আসেনসিও

রিয়াল মাদ্রিদের একাদশে নিয়মিত হয়েছেন, প্রথমবারের মতো ডাক পেয়েছেন স্পেনের জাতীয় দলেও। ক্যারিয়ারের এই উত্থানলগ্নেই রিয়াল ডিফেন্ডার রাউল আসেনসিওর বিরুদ্ধে উঠল গুরুতর অভিযোগ। দুই বছর আগে ক্লাব সতীর্থদের যৌনমিলনের ভিডিও করে সেটা অন্যদের প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। আসেনসিওর আড়াই বছর কারাদণ্ডের আবেদন জানিয়েছে স্পেনের সরকারি কৌঁসুলি দপ্তর।

‘দ্য অ্যাথলেটিক’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনা ২০২৩ সালের। স্পেনের গ্রান ক্যানারিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের এক বিচ ক্লাবে রিয়ালের যুব দলের দুই খেলোয়াড় দুজন মেয়ের সঙ্গে যৌন মিলনে লিপ্ত হন। সেই দুই মেয়ের একজনের বয়স আবার ১৬ বছরের নিচে; মানে তিনি অপ্রাপ্তবয়স্ক। সেই দুই খেলোয়াড় নিজেদের যৌনমিলনের ভিডিও করেন। আসেনসিও যৌনসম্পর্কে লিপ্ত না হলেও তিনি সতীর্থদের থেকে ভিডিওটি চেয়ে নিয়ে দেখেন এবং অন্য বন্ধুদের দেখান।

স্পেনের ফৌজদারি দণ্ডবিধির ৭৭ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এটি গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অপরাধ। এই মামলায় আসেনসিওর সঙ্গে আরও তিনজনের কারাদণ্ডের আবেদন করেছেন কৌসুলিরা। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ওই অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে ও তরুণী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন এবং পোস্টট্রমাটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডারে আক্রান্ত হন। তাদের প্রত্যেককে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৫ হাজার ইউরো করে দেওয়ার জন্যও আবেদন জানানো হয়েছে।

অভিযোগ ওঠার পর রিয়াল মাদ্রিদ কর্তৃপক্ষ প্রমাণ সাপেক্ষে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছিল। তার কারাদণ্ডের আবেদনের বিষয়ে রিয়াল কর্তৃপক্ষ কোনো মন্তব্য করতে চায়নি। এর আগে আসেনসিও এক বিবৃতিতে বলেছিলেন, ‘আমি কোনো নারীর যৌন স্বাধীনতা লঙ্ঘন করে এমন কোনো আচরণে লিপ্ত হইনি, অপ্রাপ্তবয়স্ক তো দূরের কথা।’ বর্তমান পরিস্থিতিতে আসেনসিওর প্রতিনিধিরা ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।