সংযুক্ত আরব আমিরাতে দুবাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের কনসাল জেনারেল মো. রাশেদুজ্জামান বলেছেন, ‘নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে জুলাই বিপ্লবে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান একটি অবিস্মরণীয় ঘটনা।
শনিবার (২ আগস্ট) রাতে দুবাইয়ের বাংলাদেশ কনস্যুলেটের হলরুমে ‘রেমিট্যান্স যোদ্ধা দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
কনসাল জেনারেল বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের সময় আরব আমিরাতের প্রবাসী বাংলাদেশিরাও একাত্মতা প্রকাশ করেছিলেন। সেই সময় মিছিল-মিটিংয়ের কারণে ১৮৮ জন প্রবাসীকে আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আমিরাতের মহামান্য প্রেসিডেন্টকে ফোন করে অনুরোধ জানালে তিনি দণ্ডপ্রাপ্ত সকল বাংলাদেশিকে মুক্তি দেন।
তিনি আরও বলেন, ‘প্রবাসীরা যেই দেশেই থাকেন না কেন, সেখানকার স্থানীয় আইন মেনে চলে দেশের ভাবমূর্তি রক্ষা করবেন।’
প্রবাসীদের অবদানের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘রেমিট্যান্স যোদ্ধারা দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে চলেছেন।’ দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে আরও বেগবান করতে প্রবাসীদের আরও বেশি হারে রেমিট্যান্স পাঠানোর আহ্বান জানান কনসাল জেনারেল।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কনসাল জেনারেল মো. রাশেদুজ্জামান এবং সঞ্চালনায় ছিলেন শ্রম কাউন্সিলর আব্দুস সালাম। বক্তব্য রাখেন প্রকৌশলী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, এম এ বাশার, মোহাম্মদ ইয়াকুব সৈনিক, মাহে আলম, জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী আব্দুর রশিদ, স্বপ্না মনি প্রমুখ।
সভা শুরুর আগে কনসাল জেনারেল ফিতা কেটে চিত্র প্রদর্শনীর গ্যালারির উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন— কমার্শিয়াল কাউন্সিলর আশীষ কুমার সরকার, প্রথম সচিব (প্রেস) আরিফুর রহমান, প্রথম সচিব (শ্রম) শাহনাজ পারভীন, প্রথম সচিব (ইসিটি) মো. শাহরিয়ার আলম, দ্বিতীয় সচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন রশিদ, তৃতীয় সচিব সাজ্জাদ জহির, শরাফত আলী, সিআইপি নজরুল ইসলাম, প্রকৌশলী করিমুল হক, জাহাঙ্গীর রুপু ও মোহাম্মদ আজিম উদ্দিন।
শেষে জুলাই বিপ্লবে শহীদদের মাগফেরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনা করে দোয়া করেন মোহাম্মদ সিরাজুল মোস্তফা।