ইংল্যান্ডে গিয়ে ‘ধর্ষণ করে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন’ পাকিস্তানের হায়দার

পাকিস্তান ক্রিকেটে এমনিতেই কলঙ্কের শেষ নেই, এবার ইংল্যান্ডে গিয়েও দেশের নাম ডুবিয়েছেন হায়দার আলী। পাকিস্তান ‘এ’ দলের হয়ে ইংল্যান্ড সফরে গিয়ে তিনি গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেটার ম্যানচেস্টার পুলিশ হায়দারকে গ্রেপ্তার করলেও আপাতত তিনি জামিনে ছাড়া পেয়েছেন। তার বিরুদ্ধে চলছে তদন্ত।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের সর্বশেষ আসরে চিটাগং কিংসের হয়ে খেলা হায়দারের বিষয়ে রয়টার্সকে এক ইমেইল বার্তায় গ্রেটার ম্যানচেস্টার পুলিশ জানিয়েছে, ‘অভিযোগ অনুযায়ী ঘটনাটি ঘটেছে ২০২৫ সালের ২৩ জুলাই বুধবার ম্যানচেস্টারের একটি বাড়িতে। উক্ত ব্যক্তিকে পরবর্তীতে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে এবং তদন্ত চলছে। ভুক্তভোগীকে আমাদের কর্মকর্তারা সহায়তা দিচ্ছেন।’

এর আগে ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ‘ইএসপিএনক্রিকইনফো’ তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, পাকিস্তান জাতীয় দলের হয়ে ৩৫টি টি-টোয়েন্টি ও ২টি ওয়ানডে খেলা হায়দারের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে ইংল্যান্ডের গ্রেটার ম্যানচেস্টার পুলিশ। ঠিক কী কারণে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল, সে বিষয়ে কিছু জানায়নি ইএসপিএনক্রিকইনফো। এরপর এক বিবৃতিতে হায়দারকে সাময়িক নিষিদ্ধ করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।

পিসিবি তাদের বিবৃতিতে লিখেছে, ‘পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) গ্রেটার ম্যানচেস্টার পুলিশ পরিচালিত একটি অপরাধ বিষয়ক তদন্ত সম্পর্কে অবগত হয়েছে, যার সঙ্গে ক্রিকেটার হায়দার আলী জড়িত। এই তদন্ত সম্প্রতি পাকিস্তান শাহিনসের ইংল্যান্ড সফরের সময় ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত। খেলোয়াড়দের কল্যাণ ও আইনি অধিকার সুরক্ষার অংশ হিসেবে পিসিবি নিশ্চিত করেছে যে, হায়দার আলী পুরো তদন্ত প্রক্রিয়ায় যথাযথ আইনি সহায়তা পাচ্ছেন।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘পিসিবি যুক্তরাজ্যের আইনি প্রক্রিয়া ও পদ্ধতিকে সম্পূর্ণভাবে সম্মান জানায় এবং তদন্তকে তার নিজস্ব গতিতে চলতে দেওয়ার পক্ষে। তাই চলমান তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত পিসিবি হায়দার আলীকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ (প্রোভিশনাল সাসপেনশন) করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর এবং সব তথ্য যাচাই-বাছাই করে পিসিবি নিজেদের আচরণবিধি অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার সংরক্ষণ করে।’