রুহুল কবির রিজভী

জাতীয়তাবাদী শক্তিকে টার্গেট করেছে গণতন্ত্রবিরোধী আরেকটা শক্তি

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর এখন জাতীয়তাবাদী শক্তিকেই টার্গেট করছে আরেক গণতন্ত্রবিরোধী শক্তি।

মঙ্গলবার সকালে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর ৫৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বনানী কবরস্থানে দোয়া ও দুস্থদের মধ্যে খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

রিজভী বলেন, যারা বারবার আওয়ামী ফ্যাসিবাদের হাত শক্তিশালী করেছে, তারা এখন নানা কৌশলে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে দুর্বল করতে চায়। ১৯৮৬, ১৯৯৪-৯৬ এবং ৫ আগস্টের পর তাদের বক্তব্যে এটাই স্পষ্ট। ধর্মের নামে তারা গণতন্ত্রবিরোধী ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। সামনের নির্বাচনকে বিতর্কিত করতেই তাদের এই চেষ্টা।

তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদের দোসররা এখন দেশে নেই, কিন্তু পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে কালো টাকা ও অস্ত্রের জোরে তারা কাজ করছে। গণতন্ত্রপন্থীদের কোনো কর্মসূচি হলেই তারা অন্ধকার থেকে বেরিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করে। চট্টগ্রামে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে পুলিশকে হামলা ও রক্তাক্ত করার ঘটনা এরই অংশ। তবুও জাতি চায় অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন।

বিএনপির এই নেতা বলেন, নির্বাচনের সময় ঘোষণা করেছেন ড. ইউনুস, কিন্তু কিছু গোষ্ঠী নির্বাচন নিয়ে কূটকৌশল করছে। আমরা আদর্শের জন্য লড়েছি, নেত্রী খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই সংগ্রাম চলবে। আমাদের লক্ষ্য স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা। ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়েছে, কিন্তু এখনও কিছু মহল ফ্যাসিবাদ ফিরিয়ে আনতে চায়।

তিনি আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুকে স্বাভাবিক বলেননি, বলেছেন, তিনি শেখ হাসিনা সরকারের অত্যাচারের শিকার হয়ে শহীদ হয়েছেন।

অনুষ্ঠানে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইয়েদুল আলম বাবুল, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফৎ আলী সপু, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক, দক্ষিণের আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু ও নির্বাহী কমিটির সদস্য মাইনুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।