তোমাকে লিখতে চেয়ে
মন ভালো নেই বিষাদ পাড়ের হাওয়া
বাড়ছে শুধু বিরহতরু গ্লুমি আবহাওয়া
রাস্তা জুড়ে মানুষ শুধু
বুকের ঘরে একা
খিদের নামে দোহাই দিয়ে
জীবন খাচ্ছে ধোঁকা
মন ভালো নেই ঐ শকুনের চোখের তারায় হাসি
তোমার জন্য প্রেমিক আমি তোমার জন্য ফাঁসি
মাঠের ছায়ায়
একলা তরু
ঘাসের বনে রোদ
অনেক গায়ের কথা নিয়ে
ফুটছে বৃথা ফুল
মন ভালো নেই গায়ের ব্যথা
মন ভালো নেই চোখ
ঘর জুড়ে পড়ার বইয়ে শুধুই তোমার মুখ
এমন প্রেমে কাতর হলে
আকাশ ফেলে হেসে
দোহাই লাগে ডাক দিও
ফুরিয়ে যাবার আগে।
দুর্যোগের দিনে
বিনীত হয়ে আসে ধ্বংসের দিকগুলো
চারদিকে ঝড়জল, অন্ধকার
ফুলে ওঠা ঢেউ, নির্বাপিত দিন,
কুহেলি শাখায় স্বপ্নগুলো,
ফুলে ওঠা ঢেউয়ের মতো
স্পর্শে জীবন্ত হয়
তুমি ভেবে নিয়েছ
জীবন তোমাকে অস্তমিত করে রেখেছে
তুমি ভেবে নিয়েছ
সারাদিন শিলাঝড় ফসলি ক্ষেতে
হাঁটা পথ থেমে আছে পায়ের কাছে
কোনো কথা নেই পায়ের
ইঙ্গিত নিয়ে ফোঁপানো ইচ্ছের ঝোপ
তোমাকে নিশানা করে বয়ে বয়ে যায় বাতাস
তুমি ভেবো না
পাশ দিয়ে যাওয়া রিকশার মতো
পার হয়ে যাবে সব
কোথাও শুকনো ফসলের মাঠে
ঠিক ফুটে থাকবে বন ফুল
কোবাল্ট
ঘুরে ঘুরে কত আজ তুমি চূর্ণ তারা
মানুষের মমতার মতো গেছ ক্ষয়ে
জীবাশ্মের খেরো শরীর বেয়ে ধীরে
মরা নদী চুপসানো কথার মতো দোলে
এসে দেখো
বিগত স্মৃতি
সাপের ফণা হয়ে চেয়ে
মাটির উর্বরতায় লেগে আছে মানুষের ঘাম
শকুনের ডানা দিন গোনে চুপ করে
উল্কা শরীর
দূরে আরও দূরে মেঘ মাথায় ছুটছে গরুর পাল
তুমি
বৃষ্টির শব্দে যাযাবরের তাঁবু
কাদায় দেবে যাওয়া চাওয়ার মতো
নিজেকে আরও একবার তুলে ধরো
যাপন
ধুয়ো না চোখ, কিছু দৃশ্য লেগে থাক
আমাকে জেরবার করুক কিছু হিংস্রতা
আমি লেলিহান পুড়ে
তুমি ফিরবে না জেনে গুছিয়ে রাখি ঘরদোর
বালুঝড় এসে সব গুঁড়িয়ে দিয়ে যায়
তকমায় এঁটে রাখি বিচ্ছেদ
কপাল তোমাকে নিয়ে গেছে বহুদূর
আমি খাবি খাই এই যতিচিহ্ন এর ভেতর।