ফরিদপুরে দুটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক নারীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে কমপক্ষে ১৩ জন বাসযাত্রী। গতকাল বেলা সাড়ে ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে কানাইপুর হাইওয়ে থানা-পুলিশ ও ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল উদ্ধারকাজে অংশ নেয়।
নিহতরা হলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা দামোদর থানাধীন পীরপুর গ্রামের আতিয়ার শেখ (৫৫), বরগুনা জেলার বামনা উপজেলার চালিতা বুনিয়া গ্রামের রঞ্জিত দাস (৪০) এবং নওগাঁ জেলার বাদলগাছি উপজেলার বৈকণ্ঠপুর গ্রামের সুবর্না আক্তার (২৩)।
কানাইপুর হাইওয়ে থানা-পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী রয়েল এক্সপ্রেসের একটি বাস ঢাকান্ডখুলনা মহাসড়কের ফরিদপুরের কানাইপুর ব্রিজের ওপর এসে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে চুয়াডাঙ্গাগামী দর্শনা ডিলক্স এর একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দুটি বাসের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় ঘটনাস্থলেই বাসের এক যাত্রী নিহত হয়। পরে উভয় বাসের ১৫ জন বাসযাত্রীকে দ্রুত উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক এক নারীসহ দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
করিমপুর হাইওয়ে থানার ওসি মো. সালাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী জানান, বর্তমানে আহত ১৩ জন বাসযাত্রী ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এদিকে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার দরিগোবিন্দপুর এলাকায় মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেলের সংঘর্ষে আরাফাত হোসেন (১৬) ও শিহাব উদ্দিন (১৪) নামে দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন। গত বুধবার রাতে সদর উপজেলার দড়ি গোবিন্দপুর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতের স্বজনরা জানায়, রাত ৮টার দিকে শিহাব ও আরাফাত মোটরসাইকেলে পার্শ্ববর্তী বওড়াতলা বাজারে যাচ্ছিল। পথে দড়িগোবিন্দপুর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেলের সঙ্গে ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়। এতে পাঁচজন আহত হন।
ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, অতিরিক্ত গতিতে বাইক চালানোর কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে।