৬৮ বসন্তে ‘পপ কুইন’

কেউ তাকে বলে ম্যাডি, কেউ ডাকেন ন্যানি। এরকম অনেক আদুরে নাম রয়েছে তার। পুরো নাম ম্যাডোনা লুইচ সিক্কোন। তবে সারা বিশ্বের সংগীতপ্রেমীদের কাছে তিনি কেবল ম্যাডোনা নামেরই পরিচিত। ‘পপ কুইন’খ্যাত এই মার্কিন তারকা একাধারে একজন কণ্ঠশিল্পী, গীতিকার, নৃত্যশিল্পী, অভিনেত্রী ও ব্যবসায়ী। পপ সংগীতের জীবন্ত এই কিংবদন্তির আজ স্পর্শ করলেন জীবনে ৬৮তম বসন্ত। ১৯৫৮ সালের এই দিনে (১৬ আগস্ট) তার জন্ম।

 

অনেকগুলো হিট গানের জন্য ও নিজের গানের অনন্য কর্মক্ষমতা বা পরিবেশনার জন্য বিশ্ব বিখ্যাত হয়েছেন ম্যাডোনা। তিনি ছিলেন আমেরিকান পপ সংস্কৃতির সবচেয়ে প্রভাবশালী নারীদের মধ্যে অন্যতম। তার প্রভাব আমেরিকান পপ সংস্কৃতিতে প্রায় সব ক্ষেত্রে আজও প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দেখা যায়। তিনি সর্বকালের সবচেয়ে বেশি বিক্রিত ও সফল নারী সংগীতশিল্পী, তার সংগীত রেকর্ড সারা পৃথিবীজুড়ে আজ পর্যন্ত মোট ৩৫ কোটি বারেরও বেশি বিক্রি হয়েছে। 

৮০ ও ৯০ এর দশকে আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তা থাকলেও তারর সবচেয়ে সফল একক গান হলো ২০০৫ এ প্রকাশিত ‘হাং আপ’; যা ৪১ টি দেশের সংগীত চার্টে ১ নম্বর হিট করে বিশ্ব রেকর্ড অর্জন করেছে। ম্যাডোনা ১৯৮২ সাল থেকে আজ পর্যন্ত ১৪টি স্টুডিও অ্যালবাম, ৫টি লাইভ অ্যালবাম, ৬টি কম্পিলেশন অ্যালবাম,৩টি সাউন্ডট্র্যাক অ্যালবামসহ ৮৮টি একক গান প্রকাশ করেছেন। 

এছাড়াও তিনি ১১টি সফল বক্স অফিস হিট কনসার্ট ট্যুর করেছেন। যার মধ্যে ২০০৮-০৯ সালের "স্টিকি এ্যান্ড সুইট ট্যুর" আজও একজন নারী শিল্পীর দ্বারা সর্বোচ্চ উপার্জনকারী কনসার্ট সফর। এছাড়াও তিনি একজন ফ্যাশন ডিজাইনারও। পপ সম্রাজ্ঞী ম্যাডোনা সুযোগ পেলেই কিছু করার চেষ্টা করেন। পাশাপাশি আর্তমানবতার সেবাতেও নিয়োজিত এই খ্যাতিমান তারকা। কয়েকদিন আগেও গাজার শিশুদের জন্য কিছু করার আকুল আবেদন জানান নতুন পোপের কাছে।