পটুয়াখালীতে নয় বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ বাবা আমির হোসেন হাওলাদারকে (৩৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে শুক্রবার রাতে পৌর শহরের লঞ্চঘাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় শনিবার সকালে শিশুটির মা বাদী হয়ে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলায় মেয়ের মা উল্লেখ করেন, আমির হোসেন লঞ্চঘাট এলাকার একটি মাদরাসায় চাকরি করেন। ২০১০ সালে তাদের বিবাহ হয়। এরপর তিনি তাকেসহ ৪টি বিয়ে করেন। নির্যাতিত শিশুটি ও তার মা কাশিপুর নানা বাড়িতে থাকত। গত ১৫ আগস্ট আমির তার মেয়েকে কালিকাপুরে একটি মহিলা মাদরাসায় ভর্তি করেন। গত ১৭ আগস্ট মেয়ের জ্বর হলে তিনি মাদরাসা থেকে লঞ্চঘাট এলাকার মাদরাসার একটি কক্ষে নিয়ে আসেন। পরে তিনদিন একসঙ্গে থেকে আমির তার মেয়েকে মোবাইলে অশ্লীল ভিডিও দেখান এবং শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতরস্থানে হাত দেন। পরে গত ২১ আগস্ট তার মেয়েকে মাদরাসায় ফেরত দিয়ে গেলে সে তার মাকে সব খুলে বলে।
মামলায় আরও বলা হয়, আমির হোসেন ২০১৪ সালে প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই নাজমা নামের একজনকে বিয়ে করে তিন মাস সংসার করেন। ২০১৫ সালে সুখী নামের একজনকে তৃতীয় বিবাহ করেন এবং আইমান নামের এক সন্তান রয়েছে। ২০২২ সালে সেই স্ত্রীকে তালাক দেন। ২০২১ সালে সাবিনা নামে একজনকে চতুর্থ বিয়ে করেন। ২০১৬ সালে সুমাইয়া নামের এক মাদরাসা প্রিন্সিপালের মেয়েকে ভাগিয়ে নিয়ে যান। কিন্তু মামলা হওয়ায় ওই মেয়েকে ফেরত দেন।
আমির হোসেনের প্রথম স্ত্রী জেসমিন আক্তার বলেন, আমার কন্যাকে দিতে না চাইলেও জোর করে তার কাছে নিয়ে যায়।
পটুয়াখালী সদর থানার ওসি ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।