জাবিপ্রবিতে ৩৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার 

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, নির্যাতন ও সামাজিক মাধ্যমে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে ৫১ কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবিপ্রবি) প্রশাসন। 

সোমবার (২৫ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. নুর হোসেন চৌধুরী। 

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১৯ ডিসেম্বরে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট গণতদন্ত কমিশন গঠন করা হয়। কমিশনের তদন্ত প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ১৬তম সভায় সহকারী রেজিস্ট্রার আনিসুজ্জামান, ইঞ্জিনিয়ার শহীদুজ্জামান, সেকশন অফিসার রাসেল মাহমুদ, মোতাব্বির হোসেন, কর্মকর্তা-কর্মচারী পরিষদের সভাপতি মির্জা হালিম ও উপাচার্যের ব্যক্তিগত সহকারী সোহাগ সরকারকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।

এছাড়া ৪৫ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে গুরুতর অপরাধে জড়িত ২১ জনের মধ্যে নিষিদ্ধ সংঘঠন ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কাওসার আহমেদ স্বাধীন ও যুগ্ম আহ্বায়ক তাইফুল ইসলাম পলাশকে পাঁচ বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ছাত্রলীগ নেত্রী প্রিয়া সরকার, ছাত্র হল শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম ইমন ও ছাত্রলীগ আহ্বায়কের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ফিশারিজ বিভাগের শিক্ষার্থী শাহরিন সাবাসহ সাতজনকে এক বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়।

এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার মো. নুর হোসেন চৌধুরী বলেন, তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনের আলোকে ছয় কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া ৪৫ শিক্ষার্থীকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দুইজনকে পাঁচ বছরের জন্য বহিষ্কার, সনদ স্থগিত, হল থেকে আজীবনের মতো বহিষ্কারের শাস্তি দেওয়া হয়েছে।