দেশ রূপান্তর : দেশের অর্থনীতিতে নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও স্বস্তি দিচ্ছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো রেমিট্যান্স, যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম চালিকাশক্তি। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলছে রেমিট্যান্স। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্স শুধু বৈদেশিক মুদ্রার জোগান দেয় না বরং সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ব্যাপক ভূমিকা রাখে। এ ক্ষেত্রে এনসিসি ব্যাংকের অবদান কেমন?
এম. শামসুল আরেফিন : বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্স একটি অপরিহার্য উপাদান হিসেবে বিবেচিত, যা শুধু বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ানোর মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় সহায়ক হয় না, বরং গ্রামীণ অর্থনীতিতে এক শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো অর্থ দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এনসিসি ব্যাংক গত কয়েক বছর ধরে শীর্ষ ১০ রেমিট্যান্স আহরণকারী ব্যাংকের মধ্যে অবস্থান করছে। ২০২৪ সালে দেশের মোট রেমিট্যান্সের প্রায় ৩ শতাংশ এনসিসি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে, যা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। আমরা বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা পূরণ, দেশের উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য প্রবাসীদের প্রতি অত্যন্ত মনোযোগী। এই ভূমিকা দেশের উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক।
দেশ রূপান্তর : প্রতি বছর লাখ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি তাদের কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দেশে পাঠান, যা দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। প্রবাসীদের কল্যাণে এনসিসি ব্যাংকের কী কী সুযোগ-সুবিধা রয়েছে?
এম. শামসুল আরেফিন : প্রবাসীদের জন্য এনসিসি ব্যাংক একটি সমন্বিত ব্যাংকিং ব্যবস্থা সরবরাহ করছে, যা তাদের নানা ধরনের প্রয়োজন পূরণে সহায়ক। প্রবাসীদের জন্য আমাদের বিভিন্ন প্রডাক্ট রয়েছে: ১) ডিপোজিট প্রোডাক্টস : এনসিসি ব্যাংক প্রবাসীদের জন্য উচ্চ রিটার্ন পাওয়ার নিশ্চয়তা প্রদান করে এমন ডিপোজিট স্কিম অফার করে, যেমন এনসিসি এনআরবি প্লাস সেভিংস, এনসিসি এনআরবি স্পেশাল সেভিংস স্কিম, এনসিসি এনআরবি মিলিয়নিয়ার স্কিম, এনসিসি এনআরবি পেনশন স্কিম; ২) প্রবাসীদের জন্য উপযুক্ত ঋণ প্রোডাক্টস যেমন এনসিসি এনআরবি হোম লোন : প্রবাসী কর্মীদের জন্য আবাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ও এনসিসি এনআরবি এমপ্লয়মেন্ট লোন; ৩) ডিজিটাল সেবা : এনসিসি ব্যাংক মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ও অনলাইন ব্যাংকিং সিস্টেমের মাধ্যমে প্রবাসীদের জন্য সহজ ও নিরাপদ লেনদেনের সুবিধা প্রদান করছে। এর ফলে তারা বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে দ্রুত রেমিট্যান্স পাঠাতে পারে এবং তাদের হিসাব পরিচালনা করতে পারে। ৪) এজেন্ট নেটওয়ার্ক : বিশ্বব্যাপী ৫০টি মানি ট্রান্সফার কোম্পানি (এমটিও) আমাদের ব্যাংকের সঙ্গে অংশীদারত্বে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করছে। বাংলাদেশের দূরবর্তী এলাকায় রেমিট্যান্স বিতরণের জন্য আমাদের নিজস্ব ব্যাংক শাখা নেটওয়ার্কের পাশাপাশি ২৮টি বাণিজ্যিক ব্যাংক ও শীর্ষস্থানীয় মাইক্রোফাইন্যান্স প্রতিষ্ঠান টিএমএসএস (টিএমএসএস) আমাদের সাব-এজেন্ট হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।
দেশ রূপান্তর : রেমিট্যান্সের মূল সমস্যা হুন্ডি, সরকার নানাভাবে কড়াকড়ি দিলেও তা ঠেকানো যাচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে কী করণীয় বলে মনে করেন?
এম. শামসুল আরেফিন : হুন্ডি, যেটি অবৈধ অর্থপ্রবাহ হিসেবে পরিচিত, রেমিট্যান্স প্রবাহের একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি বন্ধ করতে সরকারের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। যেমন ব্যাংকিং চ্যানেলের সচেতনতা বাড়ানো : প্রবাসীদের মধ্যে ব্যাংকিং চ্যানেলের উপকারিতা সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা অত্যন্ত জরুরি। প্রবাসীদের জানানো উচিত যে বৈধ প্রক্রিয়ায় প্রেরিত অর্থ দেশের অর্থনীতিতে সহায়তা করে এবং দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করে; রেমিট্যান্স প্রেরণের জন্য সরকারিভাবে কোনো প্রণোদনা প্রদান করা যেতে পারে যাতে প্রবাসীরা বৈধপথে রেমিট্যান্স প্রেরণে উৎসাহিত হন। এতে জাতীয় অর্থনীতি শক্তিশালীকরণের জন্য অবদান বাড়বে; সচেতনতা প্রচারের জন্য বিভিন্ন কমিউনিটি কেন্দ্র, কমিউনিটি ও হাইকমিশনগুলোর নিয়মিতভাবে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা উচিত যাতে প্রবাসীরা বৈধপথে কোনো ধরনের সমস্যায় পড়লে দ্রুত সহায়তা পায়; হুন্ডির অব্যবহার রোধে লিডারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনের প্রয়োগের পাশাপাশি শান্তির মাত্রাও বাড়ানো উচিত।
দেশ রূপান্তর : রেমিট্যান্স-সংক্রান্ত নীতি ও ব্যবস্থাপনায় কী ধরনের সমস্যা মোকাবিলা করতে হচ্ছে? আরও সহজ ব্যবস্থা কীভাবে হতে পারে?
এম. শামসুল আরেফিন : বর্তমানে রেমিট্যান্স প্রেরণ ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা বিদ্যমান, যেগুলো মোকাবিলায় আরও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। উল্লেখযোগ্য সমস্যাগুলো হলোÑ বিশ্ব জুড়ে প্রচুর সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি এখনো আনডকুমেন্টেড, যাদের বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তারা রেমিট্যান্স প্রেরণের বৈধ চ্যানেল ব্যবহার করতে পারেন না; সম্পর্ণরূপে ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবার অভাব এখনো অনেক ব্যাংকে বিদ্যমান, ফলে প্রবাসীরা দ্রুত, নিরাপদ ও সহজভাবে লেনদেন করতে ব্যর্থ হন; প্রবাসী ও তাদের উপকারভোগীদের মধ্যে পর্যাপ্ত আর্থিক শিক্ষা এবং আনুষ্ঠানিক চ্যানেল ব্যবহারের জ্ঞান নেই, যার ফলে তারা হুন্ডির মতো অবৈধ মাধ্যম বেছে নেয় এবং বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা এনআরবিদের একটি সঠিক ও হালনাগাদ তথ্যভাণ্ডার নেই, ফলে তাদের জন্য উপযুক্ত প্রণোদনা ও সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না।
এটি সহজীকরণে এনসিসি ব্যাংকের মতো ব্যাংকগুলোর উচিত তাদের ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবাকে আরও আধুনিক ও ব্যবহারবান্ধব করে গড়ে তোলা। এনসিসি ব্যাংক ডিজিটাল অ্যাপ এবং অনলাইন রেমিট্যান্স ট্র্যাকিং সিস্টেম চালুর মাধ্যমে প্রবাসীরা ঘরে বসেই সহজে টাকা পাঠাতে পারবেন। এনআরবিদের যথাযথ নথিভুক্তির জন্য প্রবাসী রেজিস্ট্রেশন ডেটাবেজ গড়ে তুলতে হবে এবং সেই অনুযায়ী রেমিট্যান্স প্রণোদনা ও সুবিধা দিতে হবে। পাশাপাশি সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো প্রয়োজন, যাতে প্রবাসী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেল ব্যবহারের উপকারিতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পান। এ ক্ষেত্রে এনসিসি ব্যাংক তার দেশ-বিদেশের শাখাগুলোর মাধ্যমে এ ধরনের প্রচারণায় অংশ নিতে পারে। এছাড়া হুন্ডি চ্যানেলের অপব্যবহার রোধে সরকার ও ব্যাংকের সমন্বয়ে দ্রুত, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী রেমিট্যান্স সিস্টেম গড়ে তোলা প্রয়োজন।
দেশ রূপান্তর : বিদেশে ব্যাংকিং শাখা পরিচালনা ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারের নতুন নিয়ম কার্যকর রয়েছে, চলতি বছর মে মাসে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সেখানে বলা হয়েছে, অর্থপাচার রোধে কড়া পদক্ষেপ নিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে বিদেশে শাখা অফিসের খরচের নামে দেশ থেকে টাকা পাঠানো যাবে না। ফলে কোনো ব্যাংক-কোম্পানির বিদেশে শাখা, প্রতিনিধি অফিস ও সাবস কোম্পানির দৈনন্দিন পরিচালন ব্যয় এবং নিয়োজিত কর্মকর্তাদের বেতনভাতা সংশ্লিষ্ট দেশে কোম্পানির অর্জিত আয় থেকে বহন করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এ নিয়ম মেনে শাখা পরিচালনা ব্যয় এনসিসি ব্যাংকের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হচ্ছে কি?
এম. শামসুল আরেফিন : এনসিসি ব্যাংক বর্তমানে সরাসরি বিদেশে শাখা পরিচালনা না করলেও, আমাদের ৫০টি আন্তর্জাতিক মানি ট্রান্সফার অপারেটর এবং স্থানীয় ব্যাংকগুলোর সঙ্গে অংশীদারত্ব রয়েছে। এজন্য এই নির্দেশনার কোনো বড় সমস্যা হচ্ছে না
দেশ রূপান্তর : এনসিসি ব্যাংকের রেমিট্যান্স প্রভাব কোন অঞ্চলে বেশি, আর যেসব অঞ্চলে পিছিয়ে আছেন, সেখানে কীভাবে কার্যক্রম বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে?
এম. শামসুল আরেফিন : এনসিসি ব্যাংকের রেমিট্যান্স প্রবাহ প্রধানত মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে বেশি আসে। বিশেষত সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, ওমান ও কাতার আমাদের রেমিট্যান্সের বড় উৎস। এর বাইরে ইউরোপ, আমেরিকা ও কিছু উন্নত দেশ থেকেও রেমিট্যান্স আসে, তবে তার পরিমাণ তুলনামূলক কম। রেমিট্যান্স প্রবাহকে আরও বাড়ানো ও নতুন বাজার সৃষ্টির জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে: নতুন মানি ট্রান্সফার অপারেটরের সঙ্গে চুক্তি যাতে প্রবাসী বাংলাদেশিরা সহজে বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠাতে পারেন; বাংলাদেশ দূতাবাস ও হাইকমিশনের মাধ্যমে নতুন উৎস দেশ সৃষ্টির প্রচেষ্টা, স্থানীয় ব্যাংক ও এক্সচেঞ্জ হাউজের সঙ্গে সমন্বয় করা; সহযোগিতা জোরদার করা, বিভিন্ন দেশের সরকারের সঙ্গে নতুন চুক্তি ও শ্রমবাজার উন্মুক্তকরণ উদ্যোগ গ্রহণ করে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা, যা সরাসরি রেমিট্যান্স বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে; ডিজিটাল রেমিট্যান্স সেবা সম্প্রসারণ মোবাইল অ্যাপ, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও ফিনটেক চ্যানেলের মাধ্যমে দ্রুত, নিরাপদ ও কম খরচে লেনদেনের সুবিধা প্রদান এবং প্রবাসীদের জন্য প্রণোদনা ও বিশেষ সঞ্চয় পণ্য চালু যাতে তারা বৈধ চ্যানেল ব্যবহার করে সঞ্চয় ও বিনিয়োগে আগ্রহী হয়।
দেশ রূপান্তর : রেমিট্যান্সের সামাজিক প্রভাব ও রেমিট্যান্সের সাফল্য নিয়ে আপনার মতামত জানতে চাচ্ছি।
এম. শামসুল আরেফিন : রেমিট্যান্স কেবল বৈদেশিক মুদ্রার জোগান নয়, এটি বাংলাদেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটি প্রধান হাতিয়ার। গ্রামীণ এলাকায় স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বাসস্থান, জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও কর্মসংস্থান তৈরিতে রেমিট্যান্স প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখছে।
প্রবাসী আয় পরিবারগুলোর আর্থিক নিরাপত্তা ও ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি করছে। দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হচ্ছে এবং অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় থাকছে। রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি, বৈদেশিক বাণিজ্য ভারসাম্য ও দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। সার্বিকভাবে, রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নেও বড় অবদান রাখছে।
দেশ রূপান্তর : ভবিষ্যৎ সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে কিছু বলুন।
এম. শামসুল আরেফিন : ক) হুন্ডি চ্যানেল, অনেক প্রবাসী এখনো অনানুষ্ঠানিক পথে টাকা পাঠাচ্ছেন। খ) মানি ট্রান্সফার কোম্পানির সীমাবদ্ধতা, সব দেশে সহজে সেবা পাওয়া যায় না। গ) কিছু দেশে ব্যাংকিং অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতা, অফিশিয়াল চ্যানেল ব্যবহার কঠিন হয়। ঘ) আইনগত জটিলতা, কিছু দেশে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনে বিধিনিষেধ থাকে।
ভবিষ্যৎ সমস্যা : শ্রমবাজার সংকোচন এবং স্থানীয় কর্মীদের অগ্রাধিকার। দক্ষ ও আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক শ্রমিকের ঘাটতি। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে আয় হ্রাস। ডিজিটাল রেমিট্যান্স চ্যানেলে সাইবার ঝুঁকি।
সম্ভাবনা : বড় রেমিট্যান্স বাজারে প্রবেশের সুযোগ নতুন দেশ ও অঞ্চলে কর্মসংস্থানের প্রসার। ডিজিটাল রেমিট্যান্স বৃদ্ধি মোবাইল অ্যাপ ও ফিনটেকের মাধ্যমে দ্রুত ও সাশ্রয়ী সেবা। মানি ট্রান্সফার কোম্পানির সহযোগিতা ও সরকারের দ্বিপক্ষীয় চুক্তির মাধ্যমে নতুন শ্রমবাজার উন্মুক্তকরণ। রেমিট্যান্স-ভিত্তিক বিনিয়োগ সুযোগ, প্রবাসী বন্ড, সঞ্চয়পত্র, ফান্ড ইত্যাদি। ব্যাংক ও এক্সচেঞ্জ হাউজের সমন্বয় বৃদ্ধি বৈধ চ্যানেল ব্যবহার সহজীকরণ।