৪৩ বল আর ২৯ রানে শেষ ৭ উইকেট হারালো ইংল্যান্ড

তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে লিডসে টস হেরে আগে ব্যাট করে ইংল্যান্ড। ইংলিশরা ১৭ ওভার পর্যন্ত মোটামোটি ভালোই এগুচ্ছিল। তবে এরপরই হয় ছন্দপতন। ৪৩ বল ও ২৯ রানের মধ্যে শেষ ৭ উইকেট হারিয়ে ইংল্যান্ডের ইনিংস থামে ১৩১ রানে। লিডসে এটি ইংলিশদের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন স্কোর।

ইংল্যান্ড দলে আজ অভিষেক হয়েছে পেসার সনি বেকারের। অভিষেকে শুরুটা ভালো হয়নি তার। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন মোকাবেলা করা প্রথম বলেই। তার আগে ইংল্যান্ডের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে দলীয় ১৩ রানে। উইকেটের শুরুটা করেন বার্গার। তিনি ফেরান বেন ডাকেটকে (৫)।

জেমি স্মিথ রুটকে নিয়ে ধাক্কা সামলানোর চেষ্টা করেন। দলীয় ৪৪ রানে রুট আউট হন এনগিডির বলে উইকেটের পেছনে থাকা রিকেলটনকে ক্যাচ দিয়ে। রান আউটে কাটা পড়েন অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক (১২)। সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মাঝে এক প্রান্ত আগলে রেখে ফিফটি তুলে নেন জেমি স্মিথ।

১০ চারে ৫৪ করা স্মিথকে আউট করেন মুল্ডার। তখন স্কোরবোর্ডে ইংলিশদের রান ১৭.২ ওভারে ১০২। সেই থেকে শুরু দ্রুত উইকেট পতনের। ইনিংসের বাকি গল্পটাও লেখেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার মুল্ডার আর স্পিনার কেশব মহারাজ। ইংলিশদের শেষ ৫ ব্যাটসম্যান আউট হন এক অঙ্কের ঘরে রান করে বা শূন্য রানে।

২২তম ওভারে পর পর দুই বলে বাটলার ও আর্চারকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন মুল্ডার। তবে সেটি হয়নি। কেশব মহারাজ আউট করেন জ্যাকব বেথেল (১) ও উইল জ্যাকসকে (৭)। পরে ইনিংসের শেষটাও করেন তিনি। টানা দুই বলে ফেরান রশিদ ও বেকারকে। স্বাগতিকদের ইনিংস গুটিয়ে যায় ২৪.৩ ওভারে।

পরবর্তী ওয়ানডেতে নিজের করা প্রথম বলে উইকেট পেলে বৈচিত্রময় হ্যাটট্রিক পূর্ণ হবে মহারাজের। মুল্ডার ৭ ওভারে ৩৩ রানে ৩ এবং মহারাজ ৫.৩ ওভারে ২২ রানে নেন ৪ উইকেট।