বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দলের জন্য এশিয়া কাপ কখনই সুখের স্মৃতি হয়ে আসেনি। কখনই তারা বাছাইপর্ব উতরাতে পারেনি। আগের ছয়বারের ব্যর্থ চেষ্টায় ১৮ ম্যাচ খেলে জিতেছে মাত্র একটিতে। সপ্তমবারের মতো ভিয়েতনামে মূল পর্বে যাওয়ার চেষ্টা করবে বাংলাদেশ। বাছাইয়ে কঠিন পথ পেরুনোর শুরু আজ থেকে। শুরুতেই প্রতিপক্ষ শক্তিশালী ভিয়েতনাম। বুধবার ভিয়েত ট্রাই স্টেইয়ামে সন্ধ্যায় শুরু হতে যাওয়া ম্যাচের একদিন আগে অবশ্য বাংলাদেশ শিবিরে স্বস্তির সুবাতাস ছড়িয়ে যোগ দিয়েছেন ফাহামিদুল ইসলাম। ইতালি প্রবাসী পৌঁছে গেছেন ভিয়েতনামে। তবে প্রথম ম্যাচে তার খেলার সম্ভাবনা কম।
ভিয়েতনামের সঙ্গে অনূর্ধ্ব-২৩ পর্যায়ে অতীতে দুটি ম্যাচে দেখা হয়েছে বাংলাদেশের। দুবারই হারের তেতো স্বাদ সঙ্গী হয়। ২০০৬ দোহা এশিয়াডে হার ৫-১ ব্যবধানে। আর ২০১৪ সালে প্রীতি ম্যাচে পরাজয় ৪-২ গোলে। মূল পর্বের সমীকরণ মেলাতে আজ শুভ সূচনার বিকল্প নেই শেখ মোরসালিনদের।
বাছাইয়ের সূচি যা, একই সময়ে নেপালে স্বাগতিকদের সঙ্গে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ সিনিয়র জাতীয় দল। তবে স্প্যানিশ কোচ হাভিয়ের কাবরেরা জাতীয় দলের চেয়ে যুবাদের বাছাইয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। নিজে দলের সঙ্গী না হলেও জাতীয় দলের বেশ কয়েকজন তরুণকে ছেড়ে দিয়েছেন টিটুর হাতে। যাদের অন্যতম মোরসালিন ও ফাহামিদুল ইসলাম। দুজনই সিনিয়র জাতীয় দলের সর্বশেষ ম্যাচ খেলেছেন। শুধু তাই নয়, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী তরুণ কিউবা মিচেলকে সিনিয়র দলে না ডেকে কাবরেরা পাঠিয়েছেন যুব দলে। সব মিলিয়ে টিটুর এই দলটা নিয়ে কিছুটা আশা করাই যায়। দেশ ছাড়ার আগে এই দলে পূর্ণ আস্থার কথা জানিয়ে মূল পর্বে যাওয়ার লক্ষ্যের কথা বলেছিলেন কোচ টিটু, ‘চূড়ান্ত পর্বে খেলার সুযোগ আছে বলেই প্রথম ম্যাচটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমাদের প্রথম ম্যাচের প্রতিপক্ষ ভিয়েতনামকে ভালোভাবে পর্যালোচনা করেছি।'