পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে ফ্যাসিস্ট হবে না: চরমোনাইর পীর

মুফতি সৈয়দ মো. রেজাউল করীম (চরমোনাই) বলেছেন, ৬০-৬৫% ভোটের কোনো মুল্যায়ন নেই। আর পিআর পদ্ধতির নির্বাচনে প্রতিটি ভোটারের সেখানে মূল্যায়ন হবে। প্রতিটা ভোটারের ভোটের কার্যকারিতা নিশ্চিত হবে। পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের মাধ্যমে এককভাবে সরকার ক্ষমতায় যাওয়ার এবং ফ্যাসিস্ট তৈরি হওয়ার সুযোগ থাকে না। পিআর পদ্ধতির মাধ্যমে গুন্ডা তৈরি হয় না। কালো টাকার দৌরাত্ম্য তৈরি হয় না। পেশী শক্তি তৈরি হয় না। আর স্টেশন এবং বিশেষ করে সেন্টার দখলের সুযোগ থাকে না। এর জন্যে ৯১ টি দেশের মধ্যে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হয়েছে। যেহেতু সংস্কার করতে হবে, তারা সংস্কারের জন্য জান দিয়েছে। এইজন্য বলবো সবচেয়ে বড় সংস্কার হলো নির্বাচন পদ্ধতির সংস্কার।       

রবিবার (০৭ সেপ্টম্বর) সন্ধায় জামালপুর পৌর শহরের ফৌজদারী মোড়ে ইসলামী আন্দোলন জেলা শাখার আয়োজনে বিশালজন সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ইসলামী আন্দোলন জামালপুর জেলা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব মুফতি মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে জন সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর (পীর সাহেব চরমোনাই) মুফতি সৈয়দ মো. রেজাউল করীম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা আহমদ আব্দুল কাইয়ুম, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা.নাসির উদ্দিন, সদস্য ডা.সৈয়দ ইউনুছ আহাম্মদ প্রমুখ।

সমাবেশে প্রধান অতিথি মুফতি রেজাউল করীম বলেন, ‘তেপান্ন বছর যে পদ্ধতিতে নির্বাচন হয়েছে। এ নির্বাচন টা কি হয়েছে, দিনের ভোটগুলো রাত্রে বাক্সে ঢুকিয়ে ফেলা হয়েছে। সেখানে সেন্টারকে দখল করে নিজেদের প্রার্থীর পক্ষে বাক্স ভরে ফেলেছে। অযোগ্য লোকগুলো, গুন্ডাগুলো সংসদ বানিয়েছে গানের একটা আড্ডালয়। গানের আড্ডালয় কি আমাদের সংসদ, না দেশ সুন্দর হওয়ার জন্য সংসদ। সেখানে তামাশা করেছে। আমরা পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চেয়েছি কেন? ৩৫-৪০% ভোট পাওয়ার পরে তারা দেশ পরিচালনা করে। এককভাবে ক্ষমতায় যায়। এরপরে সংবিধানকে চটি বইয়ের মতো ব্যবহার করে। যখন মন চায়, সেরকমই সংবিধান পরিবর্তন করে।’  

এ জন সমাবেশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জামালপুর জেলা-উপজেলা শাখা ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।