ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কর্তৃপক্ষ ডাকসু নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত সাদিক-ফরহাদ তথা ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট প্যানেলের বিরুদ্ধে কারচুপির অভিযোগ পেয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর একে এম নুরে আলম।
এক ভোটারের ব্যালট পেপারে দু’জন প্রার্থীর নামের পাশে টিক চিহ্ন থাকার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এ তথ্য জানানো হয়। ডাকসুর ক্যারিয়ারবিষয়ক সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুপাইয়া শ্রেষ্ঠা তঞ্চঙ্গা অভিযোগ করেন, টিএসসি ভোটকেন্দ্রে রোকেয়া হলের এক ভোটারের ব্যালটে ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রার্থী সাদিক কায়েম ও ফরহাদের নামের পাশে পূর্বেই টিক চিহ্ন দেওয়া ছিল।
এ ঘটনার প্রসঙ্গে সহকারী প্রক্টর একে এম নুরে আলম বলেন, দুজন প্রার্থীর নামে টিক দেওয়া ব্যালট পেয়েছেন বলে এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেছিল। তাকে পরে আরেকটি ব্যালট পেপার দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ড. নাসরিন সুলতানা বলেন, অভিযোগের পর আমরা সবগুলো ব্যালট পেপার চেক করেছি। কোথাও এমন সমস্যা পাইনি। অভিযোগকারী ব্যালট পেপার হাতে নিয়েই এটি বলতে পারবেন। কিন্তু তিনি বুথে গিয়ে কিছুক্ষণ থেকে তারপর ফিরে এসেছেন। এমন অভিযোগ নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তারপরও আমরা তাকে একটি ফ্রেশ ব্যালট পেপার দিয়েছি। সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে আলাপ করে এটা করা হয়েছে। এটা হয়তো প্রার্থীই ভুল করেছিলো।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ (বাগছাস) সমর্থিত বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীদের প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী আবু বাকের মজুমদার এই নির্বাচনে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর অভিযোগ তোলেন। বাকেরের দাবি, অমর একুশে হলের ভোটারদের ব্যালট বাক্স আগে থেকেই ভর্তি ছিল।
ভোটের পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন প্রতিরোধ পর্ষদের জিএস প্রার্থী মেঘমল্লার বসু। তিনি বলেন, ভোট কারচুপির গুরুতর অভিযোগ পেয়েছি। করণীয় ঠিক করতে দ্রুত বৈঠকে বসছি আমরা। এরপরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাব।